
এক সপ্তাহ পর শুরু হয়েছে পটুয়াখালীর পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ইউনিট-১-এর বিদ্যুৎ উৎপাদন। গতকাল সোমবার বিকেলে ইউনিটটি চালু করা হয়। এই কেন্দ্র থেকে এখন পুরো ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।
এর আগে গত ২৪ জুন বিকেল ৪টার দিকে রক্ষণাবেক্ষণের জন্য দুটি ইউনিটের মধ্যে একটি ইউনিটের (৬৬০ মেগাওয়াট) বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। এতে তীব্র লোডশেডিং হয় দক্ষিণাঞ্চলে। তবে এই কেন্দ্রের ইউনিট-১ চালু হওয়ায় লোডশেডিং অনেকটা কমবে বলে আশাবাদী সংশ্লিষ্ট ও স্থানীয়রা।
পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সহকারী ব্যবস্থাপক (ইনভেস্টিগেশন) শাহ মনি জিকো আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শাহ মনি জিকো বলেন, ‘আমাদের ৪ জুলাই ইউনিট-১ চালু করার কথা ছিল। তবে দেশের তথা এই অঞ্চলের মানুষের কথা চিন্তা করে আমাদের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা দিনরাত পরিশ্রম করে সোমবার বিকেলে ইউনিট-১ থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম হন।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে