
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচল বন্ধে অভিযান চালালেও পুলিশের চোখের সামনেই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চলছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। হাইওয়ে পুলিশ বলছে, মহাসড়কে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল বন্ধে চালকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলেই তাঁরা পুলিশ সদস্যদের লাঞ্চিত করছেন। এ জন্য তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চৌদ্দগ্রাম পৌরসভাসহ মহাসড়কের ছয়টি স্থানে হাইওয়ে পুলিশ সিএনজিচালিত অটোরিকশার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় অভিযান পরিচালনা করে। চালকদের আটক করে জরিমানা করা হয়। অথচ হাইওয়ে পুলিশের সামনেই মহাসড়কে অবাধে চলাচল করছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। এ অটোরিকশাগুলো হঠাৎ মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম বাজারের ওপরে লেন পরিবর্তন করে। এতে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন সড়ক পারাপার হতে যাওয়া সাধারণ মানুষ। সৃষ্টি হচ্ছে যানজটও।
আবদুল মান্নান নামে এক সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক বলেন, ‘মহাসড়কে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালানো অবৈধ, এটা আমরাও জানি। কিন্তু জীবন-জীবিকার তাগিদে একটু বাড়তি রোজগারের জন্য মহাসড়কে সিএনজি অটোরিকশা চালাই। মাঝেমধ্যে হাইওয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে আটক করে এবং জরিমানা আদায় করছে। আমরা এটা মেনে নিলাম। কিন্তু মহাসড়কে সম্পূর্ণভাবে চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকা ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার বিরুদ্ধে পুলিশ কেন ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না? তাদের চোখের সামনে অবাধে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল করলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না।’
সিএনজিচালিত অটোরিকশার আরেক চালক হুমায়ন কবির বলেন, ‘ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালকদের বিরুদ্ধে প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। অথচ আমাদের বিরুদ্ধে তারা কঠোর হচ্ছে। আমাদের দাবি, প্রশাসন যেন দুটি অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধেই কঠোর হয়। অন্যথায় তাঁরা যেন আমাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেন।’
গতকাল রাতে চৌদ্দগ্রাম বাজারে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চালক সোহাগ মিয়া বলেন, ‘অটোরিকশা যদি অবৈধ হয়, তাহলে সরকার এগুলো তৈরি করার অনুমতি দিল কেন? আমরা কখনো পুলিশকে লাঞ্ছিত করিনি। পুলিশ আমাদের কেন ভয় পায়, তা আমরা নিজেরাও জানি না।’
গোলাম হোসেন নামে অন্য এক ব্যাটারিচালিত অটোচালক বলেন, ‘আমাদের গ্রামাঞ্চলের সড়কে চালাতে বলা হয়েছে; কিন্তু গ্রামাঞ্চলে ওইভাবে ভাড়া পাই না। তাই আমরা বাধ্য হয়ে মহাসড়কে অটোরিকশা চালাই। ’২৪ সালের ৫ আগস্টের পর পুলিশ অবৈধভাবে আমাদের কাছে টাকা চাওয়ায় আমরা তাঁদের ওপর ক্ষিপ্ত হয়েছিলাম।’
এ ব্যাপারে চৌদ্দগ্রামের মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার ইনচার্জ শাহাব উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চালকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কারণে তারা সম্প্রতি আমাদের তিনবার লাঞ্ছিত করেছে। এসব রিকশার চালকদের সংকেত দিলেও তারা হাইওয়ে পুলিশকে ধাক্কা দিয়ে চলে যায়। আমরা যে কেন এসব অটোচালকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারছি না, তা আপনাদের বলে বোঝাতে পারছি না। দয়া করে আমাদের একটু সময় দেন, আমরা অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

ব্যবসায়ীদের জন্য পুরান বাজারে পৌরসভার নির্মিত কিচেন মার্কেটে ছয় মাস বিনা ভাড়ায় ব্যবসার সুযোগ দেওয়ার কথা বলা হলেও সেখানে যেতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না তাঁরা। অন্যদিকে জেলা পরিষদ মার্কেটের আন্ডারগ্রাউন্ড অংশ প্রস্তুত করার কাজ চলতে দেখা গেছে।
১৭ মিনিট আগে
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রথমে দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। এ সময় ছাত্রদলের এক নেতাকে চাকু দিয়ে আঘাত করলে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীরা।
১ ঘণ্টা আগে
নিহত ব্যক্তির স্ত্রী সুমি বেগম বলেন, ‘আমার স্বামী চোর না। ডেকে নিয়ে গিয়ে পিটিয়ে স্বীকারোক্তি নেওয়া হয়েছে। শিশুসন্তানের মাথায় হাত রেখে জিজ্ঞেস করলে সে বলেছে, চুরি করেনি। মিথ্যা অপবাদ সইতে না পেরে সে বিষ খেয়েছে। আমি এর বিচার চাই।’
১ ঘণ্টা আগে
গত চার দিনে খুলনায় তিনটি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। এগুলোর মধ্যে খুলনা মহানগরীতে দুটি এবং জেলায় একটি হত্যাকাণ্ড ঘটে। এলাকার আধিপত্য বিস্তার, মাদক বেচাকেনা, চাঁদাবাজি ও চরমপন্থী সম্পৃক্ততায় এসব হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, এসবের পেছনে রয়েছে সাতটি সন্ত্রাসী বাহিনী।
৬ ঘণ্টা আগে