এ-থ্রি বা সুচিনশ্যান-অ্যাটলাস নাম দেওয়া একটি ধূমকেতু জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের হতাশ করেনি। কারণ শনিবার রাতে এটি পৃথিবীর প্রায় ৪ কোটি ৪০ লাখ মাইলের মধ্যে এসেছিল। সুযোগটিকে কাজে লাগিয়ে সারা বিশ্ব জুড়ে এটির ছবি তুলেছেন অসংখ্য মহাকাশ ফটোগ্রাফার।
রোববার স্কাই নিউজ জানিয়েছে—যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র এবং এশিয়া জুড়ে মহাকাশ ফটোগ্রাফারেরা কাঙ্ক্ষিত ওই ধূমকেতুর ছবি তুলতে সক্ষম হয়েছেন। তবে এর মানে এই নয় যে, ছবি তোলার সুযোগটি শেষ হয়ে গেছে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, আগামী ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত ধূমকেতুটির ছবি তোলা সম্ভব হবে।
জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের তথ্য অনুযায়ী, এই ধূমকেতু প্রতি ৮০ হাজার বছর পরপর পৃথিবী থেকে দৃশ্যমান হয়। সেই অর্থে এই ধূমকেতুটি সর্বশেষ দেখা গিয়েছিল, যখন মানুষের নিয়ান্ডারথাল প্রজাতি পৃথিবীতে বিচরণ করত।
২০২৩ সালের জানুয়ারিতে দুটি মানমন্দির স্বাধীনভাবে ওই ধূমকেতুটি আবিষ্কার করেছিল। এর মধ্যে একটি মানমন্দির ছিল—চীনের সুচিনশান অবজারভেটরি এবং অন্যটি দক্ষিণ আফ্রিকার অ্যাটলাস। পরে এই দুটি মানমন্দিরের নামে ধূমকেতুটির নামকরণ করা হয় সুচিনশান-অ্যাটলাস।
জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ধূমকেতুটি আগামী ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত পৃথিবী থেকে দৃশ্যমান হবে। এই সময়ের মধ্যে ডিজিটাল সিঙ্গেল-লেন্স রিফ্লেক্স ক্যামেরা ব্যবহার করে ধূমকেতুটির ছবি পাওয়া সম্ভব বলেও মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
২ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
১০ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
৩১ মিনিট আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
৩৪ মিনিট আগে