কৃষ্ণ সাগরে রাশিয়ার দুইটি তেলবাহী জাহাজ ডুবে গেছে। রুশ কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, জাহাজ দুটিতে ২৯ জন ক্রু মেম্বার ছিলেন। যাদের মধ্যে একজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
রুশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তীব্র ঝড়ের মধ্যে ‘ভলগোনেফ্ট-২১২’ ও ‘ভলগোনেফ্ট-২৩৯’ নামে দুটি জাহাজের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। একটি জাহাজ মাঝ থেকে ভেঙে ডুবে যায়। আরেকটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ভেসে বেড়াচ্ছিল। কের্চ প্রণালিতে এই দুর্ঘটনা ঘটে, যা রাশিয়া এবং ক্রিমিয়ার মধ্যে বিভাজন তৈরি করেছে।
ঘটনার ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ডুবে যাওয়া জাহাজ থেকে তেলের ছড়িয়ে পড়ছে। এই জাহাজগুলো প্রায় ৪ হাজার ২০০ টন তেল বহন করতে সক্ষম। তবে তেল ছড়িয়ে পড়ার মাত্রা এবং পরিবেশগত ক্ষতির পরিমাণ এখনো জানা যায়নি। পরিবেশবাদীরা আশঙ্কা করছেন, এই দুটি জাহাজের তেল ছড়িয়ে পড়লে মারাত্মক পরিবেশ বিপর্যয় হতে পারে।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী ভিতালি সাভেলিয়েভকে প্রধান করে একটি বিশেষ দল গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন। রুশ পরিবহন সংস্থা রসমোরেচফ্লট জানিয়েছে, উদ্ধারকাজে টাগবোট, হেলিকপ্টার এবং ৫০ জনের বেশি কর্মী অংশ নিচ্ছেন। পাশাপাশি, দুর্ঘটনার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি তদন্ত শুরু হয়েছে।
এর আগেও ২০০৭ সালে কের্চ প্রণালিতে ‘ভলগোনেফ্ট-১৩৯’ নামে একটি রুশ তেলবাহী জাহাজ ভেঙে যাওয়ার ফলে, এক হাজার টনের বেশি তেল ছড়িয়ে পড়েছিল।
ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনের পরে থেকে রাশিয়ার তেল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে পশ্চিমা বিশ্ব। তবে রাশিয়া প্রায়শই নষ্ট ও দুর্বলভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা ‘ঘোস্ট ট্যাংকার’ ব্যবহার করে তেল পরিবহন করে বলে অভিযোগ রয়েছে। যা এই ধরনের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তুলেছে। তবে রুশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তেল ছড়িয়ে পড়ার ফলে পরিবেশগত বিপর্যয় রোধে তৎপরতা চলছে।

তিন নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে ইসলাম বিষয়ক বিশিষ্ট গবেষক ও সুইস বংশোদ্ভূত একাডেমিক তারিক রমাদানের বিরুদ্ধে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে বিচার শুরু হচ্ছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাঁর সর্বোচ্চ ২০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।
৪ ঘণ্টা আগে
বাহরাইনের একটি বন্দরে নিক্ষিপ্ত অজ্ঞাত দুটি বস্তুর আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মার্কিন পতাকাবাহী ট্যাংকার ‘স্টেনা ইম্পেরেটিভ’। স্থানীয় সময় সোমবার ভোরে এই হামলার ঘটনা ঘটে বলে দুটি সামুদ্রিক নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আলোচনার দাবি নাকচ করেছে ইরান। হামলা আরও জোরদার করেছে তারা। গত রোববার রাতে ও গতকাল সোমবার উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে তারা। হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র।
৪ ঘণ্টা আগে
ইরানে মার্কিন হামলার পক্ষে দেশটির মাত্র চারজন নাগরিকের মধ্যে একজন সমর্থন জানিয়েছেন। অর্থাৎ এই হামলার পক্ষে মাত্র ২৫ শতাংশ আমেরিকান আর ৭৫ শতাংশই বিপক্ষে। রয়টার্স/ইপসোসের এই জরিপ থেকে জানা গেছে, প্রায় অর্ধেক আমেরিকান মনে করেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক শক্তি প্রয়োগে বড্ড বেশি আগ্রহী।
৫ ঘণ্টা আগে