Ajker Patrika

দুর্গাপুরে ক্ষতির শিকার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
আপডেট : ২৪ এপ্রিল ২০২২, ১৪: ৩০
দুর্গাপুরে ক্ষতির শিকার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষ

নেত্রকোনার দুর্গাপুর থেকে সাদা মাটি আহরণের ফলে বহু বন্যপ্রাণী বিলুপ্ত হয়েছে। বিপন্ন হয়েছে জীববৈচিত্র্য। এতে দেখা দিয়েছে প্রতিবেশগত বিপর্যয়। এসব এলাকার গারো, হাজং ও হাদি জনগোষ্ঠীর মানুষেরা উচ্ছেদের শিকার হয়েছে। গতকাল শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে নাগরিক প্রতিনিধি দলের সাদা মাটি পরিদর্শন শেষে এক মতবিনিময় সভায় এসব তথ্য তুলে ধরেন বক্তারা।

সরেজমিন পরিদর্শন শেষে মতবিনিময় সভায় মূল বিষয়বস্তু তুলে ধরেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস।

সভায় মতিলাল হাজং বলেন, দুর্গাপুরে সাদা মাটির উত্তোলনের ফলে অনেক আদিবাসী গারো, হাজং ও হাদি জনগোষ্ঠীর লোকজন উচ্ছেদের শিকার হয়েছে। আদিবাসীদের জমির কাগজ পত্র নাই এই হইল দোষ, টিলায় থাকে কিন্তু কাগজপত্র নাই।

মতবিনিময় সভায় রাষ্ট্রের কাছে কিছু দাবি তুলে ধরা হয়। দাবি গুলোর মধ্যে রয়েছে, পরিবেশগত সুরক্ষার প্রশ্ন বিবেচনায় না নিয়ে অপরিকল্পিত ও ধ্বংসাত্মক উপায়ে প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণের যে আয়োজন তা বন্ধ করতে হবে। দুর্গাপুরের তিনটি মৌজায় বন্ধ হলেও পার্শ্ববর্তী ধোবাউড়ায় তা অবাধে চলছে। আমরা মনে করি পুরো অঞ্চলেই এই প্রক্রিয়াটি বন্ধ করতে হবে। সাদা মাটি উত্তোলনের ফলে যেসব আদিবাসী ও বাঙালি পরিবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা ও ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও ব্যক্তিবর্গের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ও যথাযথ পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে হবে।

নাগরিক উদ্যোগের প্রধান নির্বাহী জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ নেয় সংস্কৃতি কর্মী ও আদিবাসী নেতা মতিলাল হাজং, আইনজীবী ও সাংবাদিক প্রকাশ বিশ্বাস, লেখক ও সাংবাদিক নজরুল কবির, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের কেন্দ্রীয় সদস্য মেইনথিন প্রমীলা প্রমুখ। সঞ্চালনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. জোবাইদা নাসরীন।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত