মেহেরপুরের গাংনীতে দুই বছর আগে দলছুট হয়ে যায় এক শূকর। এরপর থেকে প্রাণীটি উপজেলার কাজিপুর গ্রামের ঝোঁপঝাড়ে থাকত ও মাঠের ফসল খেত। একা থাকতে থাকতে ও সম্প্রতি মাঠে কোনো ফসল না থাকায় জন্তুটি হিংস্র হয়ে ওঠে। আজ সোমবার শূকরটি লোকালয়ে ঢুকে পড়ে মানুষকে আক্রমণ করে বলে খবর পাওয়া গেছে।
শূকরটির কামড়ে ১০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন মো. সিরাজুল ইসলাম (৫৫), অঞ্জনা খাতুন (৩০), বিল্লাল হোসেন (৫০), মোহাসিন আলী (২৫), রিপন আলী (২৫), রেহেনা খাতুন (৩৫), আবদুর রশিদ (৫০)। বাকি তিনজনের পরিচয় জানা যায়নি।
স্থানীয়রা জানান, শূকুরটি দুই বছর যাবৎ এলাকার মাঠে বসবাস করত। একা থাকতে থাকতে সে হিংস্র হয়ে যায়। পরে লোকালয়ে ঢুকেই কামড়াতে শুরু করে। এতে প্রায় ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তাঁরা বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা নিচ্ছে। আর শূকরটিকে গ্রামবাসী মেরে ফেলেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মোছা. জরিনা খাতুন বলেন, ‘শূকুরটি প্রায় দুই বছর আগে দলছুট হয়ে যায়। এরপর থেকে সে মাঠে একাই থাকত। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ফসল খেত। মাঠে এখন খাওয়ার মতো তেমন কোনো ফসল নেই। তাই সে গ্রামে ঢুকে পড়েছে। প্রথমে আমাদের পরিবারের দুজনকে আক্রমণ করে।
‘শুনেছি, আমাদের পাড়া থেকে গিয়ে অন্য পাড়াতেও কয়েকজনকে আক্রমণ করে। পরে লোকজন হিংস্র প্রাণীটিকে মারতে গেলে তাঁরাও আক্রমণের শিকার হয়। তবে গ্রামবাসী শূকরটিকে মেরে ফেলেছে। এখন অনেকেই কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে। বাকিরা অন্য জায়গায় চিকিৎসা নিচ্ছে।’
আহত সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘মাঠ থেকে হঠাৎ বাড়ির মধ্যে এসে বন্য শূকুরটি বাড়ির মহিলাদের আক্রমণ করে। তাদের বাঁচাতে শূকরটিকে তাড়া দিলে আমাদের আক্রমণ করে। এতে আমরা গুরুতর আহত হয়। স্থানীয়দের সহায়তায় শূকরটিকে মেরে ফেলা হয়েছে।’
কাজিপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ফারুক আহমেদ বলেন, ‘বন্য শূকরের আক্রমণে পাশের গ্রামের বেশ কিছু লোকজন গুরুতর আহত হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আর হিংস্র প্রাণীটিকে গ্রামবাসী মেরে ফেলেছে।’
গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার বিডি দাস জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভ্যাকসিন সাপ্লাই না থাকার কারণে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাঁদের রেফার্ড করা হয়েছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে