হোম > খেলা > ক্রিকেট

পাকিস্তানের বিপক্ষে ১১ বছরের অপেক্ষা ফুরাল বাংলাদেশের

ক্রীড়া ডেস্ক    

পাকিস্তানের বিপক্ষে ১১ বছর পর ওয়ানডেতে বাংলাদেশের উদ্বোধনী জুটিতে ১০০ রান পেরিয়েছে। ছবি: ফাইল ছবি

এই মিরপুরেই ২০১৫ সালে পাকিস্তানকে বেধড়ক পিটিয়েছিলেন সৌম্য সরকার ও তামিম ইকবাল। উদ্বোধনী জুটিতে ১৪৫ রান যোগ করেছিলেন তাঁরা। পরের ১১ বছরে ওয়ানডেতে ছয়বার বাংলাদেশ-পাকিস্তান মুখোমুখি হলেও শতরানের উদ্বোধনী জুটি হয়নি। সপ্তমবারে এসে ফুরোল বাংলাদেশের দীর্ঘ অপেক্ষা।

পাকিস্তানের বিপক্ষে এবার সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ১১৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করে বাংলাদেশ ৮ উইকেটের বিশাল জয় পেলেও ২৭ রান এসেছিল উদ্বোধনী জুটিতে। এরপর দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বাংলাদেশ গুটিয়ে গেছে ১১৪ রানেই। আজ মিরপুরে সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ওয়ানডেতে দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম-সাইফ হাসান গড়েছেন শতরানের জুটি। তামিম ফিফটি করলেও সাইফ তার আগেই বিদায় নিয়েছেন।

বাংলাদেশ-পাকিস্তান তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ এখন ১-১ সমতায়। মিরপুরে আজ সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ওয়ানডেতে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পাকিস্তান অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদি। সফরকারীরা তাদের একাদশে তিন পরিবর্তন এনেছে। আর বাংলাদেশ খেলছে অপরিবর্তিত একাদশ নিয়েই। আগে ব্যাটিং পেয়ে প্রথম থেকেই সাবলীলভাবে খেলতে থাকেন তানজিদ তামিম ও সাইফ হাসান। পাওয়ার প্লেতে (প্রথম ১০ ওভার) কোনো উইকেট না হারিয়ে ৫০ রান করেছে স্বাগতিকেরা। তানজিদ তামিম কিছুটা আক্রমণাত্মক থাকলেও সাইফ ধীরস্থির ব্যাটিং করতে থাকেন।

পাওয়ার প্লে শেষে আরও বেশি চড়াও হয়ে ওঠেন তানজিদ তামিম। একের পর এক চার-ছক্কা মারতে থাকেন বাংলাদেশের এই বাঁহাতি ব্যাটার। তাঁর বাউন্ডারিতে মিরপুর শেরেবাংলার গ্যালারিতে দেখা যায় বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস। একবার তো আউটই হতে গিয়েছিলেন। ১৭তম ওভারের তৃতীয় বলে পাকিস্তানি বাঁহাতি স্পিনার মাজ সাদাকাতকে তুলে মারতে যান তামিম। ডিপ মিড উইকেটের সীমানার ধারে বল ফেরাতে গিয়েও ফাহিম আশরাফ ভারসাম্য রাখতে না পারায় সেটা ছক্কা হয়ে যায়। তখন তাঁর রান ৫০। ওয়ানডেতে এটা তামিমের ষষ্ঠ ফিফটি।

তামিমের বাউন্ডারিতেই এরপর উদ্বোধনী জুটিতে সেঞ্চুরি পেরিয়েছে বাংলাদেশের। ১৮ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে ১০৫ রান করে ফেলে স্বাগতিকেরা। এই ১০৫ রানেই ভেঙে যায় বাংলাদেশের উদ্বোধনী জুটি। ১৯তম ওভারের প্রথম বলে শাহিনের স্লোয়ারে বিভ্রান্ত হয়ে বোল্ড হয়ে যান সাইফ। ৫৫ বলে ৩ চারে সাইফ করেন ৩৬ রান। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ২৬ ওভারে ১ উইকেটে ১৪১ রান করে বাংলাদেশ। ৭৫ বলে ৪ চার ও ৬ ছক্কায় ৭৬ রান করে তামিম অপরাজিত। শান্ত করেছেন ২২ রান।

পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের তিনটি শতরানের উদ্বোধনী জুটি এসেছে মিরপুরেই। ২০১৪ এশিয়া কাপে দুই ওপেনার এনামুল হক বিজয়-ইমরুল কায়েস জুটি বেঁধে ১৫০ রান যোগ করেছিলেন। ঠিক তার পরের বছর (২০১৫ সালে) তামিম-সৌম্য ১৪৫ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়েছিলেন। আজ দীর্ঘ ১১ বছর পর তানজিদ তামিম-সাইফ হাসানের ব্যাটে ফুরোল বাংলাদেশের ১১ বছরের অপেক্ষা।

পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের শতরানের উদ্বোধনী জুটি

রান ভেন্যু সাল

এনামুল হক বিজয়-ইমরুল কায়েস ১৫০ মিরপুর ২০১৪

তামিম ইকবাল-সৌম্য সরকার ১৪৫ মিরপুর ২০১৫

তানজিদ হাসান তামিম-সাইফ হাসান ১০৫ মিরপুর ২০২৬

মোস্তাফিজের পায়ে মেরেই দৌড়ে এলেন শাহিন আফ্রিদি

রোমাঞ্চকর ম্যাচ জিতে পাকিস্তানকে হারিয়ে বাংলাদেশের ঈদ উপহার

বাংলাদেশের আগুনে বোলিংয়ে পুড়ছে পাকিস্তান

অলিখিত ফাইনালে পাকিস্তানকে ২৯১ রানের লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ

অবসরে পাকিস্তানের চ্যাম্পিয়নস ট্রফিজয়ী অধিনায়ক

আরেক তামিমে ঘুচল পাকিস্তানের বিপক্ষে সেঞ্চুরির অপেক্ষা

আমরা দুজনই আগুন—অভিষেকের সঙ্গে জুটি প্রসঙ্গে স্যামসন

বাংলাদেশ সিরিজের আগমুহূর্তেই কেন বাবর-ফখর চোটে, পিসিবির কাছে তদন্তের দাবি

মেয়েদের দাপটের দিনে নিউজিল্যান্ডের ছেলেদের অসহায় আত্মসমর্পণ

বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠাল পাকিস্তান