দেশের সমুদ্রসীমা ও সমুদ্রপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ নৌবাহিনী সার্বক্ষণিক নিয়োজিত রয়েছে। বিশেষ করে এলএনজি, এলপিজি এবং পেট্রল, ডিজেল, জেট ফুয়েলসহ ক্রুড অয়েলবাহী জাহাজসমূহের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার মাধ্যমে দেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমকে সুসংহত রাখা হচ্ছে।
আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর সংলগ্ন এলাকা, গভীর সমুদ্র ও দেশের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন রুটে নৌবাহিনীর টহল ও নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।
নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায় যুদ্ধজাহাজ, দ্রুতগামী বোট, মেরিটাইম প্যাট্রোল হেলিকপ্টার ও এয়ারক্রাফট মোতায়েন করা হয়েছে। এই প্ল্যাটফর্মগুলো সমুদ্রপথে সার্বক্ষণিক টহল, আকাশ থেকে নজরদারি এবং সন্দেহজনক নৌযান পর্যবেক্ষণের কাজ করছে। এর ফলে জ্বালানিবাহী জাহাজসমূহের নিরাপদ চলাচল, নোঙর এবং বন্দরে প্রবেশ ও বহির্গমন নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে।
সতর্কতামূলক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে নৌবাহিনী সমুদ্র ও উপকূলীয় এলাকায় বিশেষ অপারেশনাল টিমও প্রস্তুত রেখেছে, যেগুলো সম্ভাব্য চোরাচালান, অপতৎপরতা বা অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে সক্ষম। এ কার্যক্রম বন্দর কর্তৃপক্ষ, কোস্ট গার্ড, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও জ্বালানি সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ে পরিচালিত হচ্ছে।
বাংলাদেশ নৌবাহিনী দেশের সামুদ্র সীমা, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো এবং অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষায় সর্বদা সতর্ক ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও সমুদ্রপথে নির্বিঘ্ন বাণিজ্যিক কার্যক্রম বজায় রাখতে এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।