হোম > স্বাস্থ্য

ঈদের ছুটিতে সরকারি হাসপাতালে ১৬ নির্দেশনা

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ঈদের ছুটিতে রোগীদের সেবা অটুট রাখতে দেশের সব সরকারি হাসপাতালের জরুরি বিভাগ, লেবার রুম, জরুরি অস্ত্রোপচার এবং পরীক্ষাগার চালু রাখাসহ ১৬টি নির্দেশনা দিয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান পাঠানো চিঠিতে বেসরকারি হাসপাতালেও জরুরি সেবা চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

চিঠিটি গত বৃহস্পতিবার সব মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, জেলা হাসপাতাল পরিচালক, বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক, সিভিল সার্জন এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের পাঠানো হয়। তবে চিঠিটি আজ রোববার গণমাধ্যমকে পাঠানো হয়।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২১ মার্চ পবিত্র ঈদ উল ফিতর হতে পারে। ওইদিন ঈদ ধরে এবার সাত দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। ঈদুল ফিতরে সরকারিভাবে টানা ৭ দিনের (১৭ থেকে ২৩ মার্চ) ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ১৮ মার্চ নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণার মাধ্যমে ১৭ মার্চ শবে কদরের ছুটির সঙ্গে এটি যুক্ত হয়েছে। এই সময়ে দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোকে সেবা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য ১৬টি নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনাগুলো হলো—

) জরুরি বিভাগে প্রয়োজনের অতিরিক্ত চিকিৎসক পদায়নের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক চিকিৎসকের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।

) জরুরি বিভাগ ও লেবার রুম, ইমার্জেন্সি ওটি এবং ল্যাব সার্বক্ষণিক চালু রাখতে হবে।

) কর্মস্থলে পর্যাপ্ত জনবল ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ঈদের আগে ও পরে সমন্বয় করে জনবলকে পর্যায়ক্রমে ছুটি দেওয়া যেতে পারে।

) প্রতিষ্ঠান প্রধান নিরবচ্ছিন্ন জরুরি চিকিৎসা কার্যক্রম ও জনস্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে ছুটি মঞ্জুর করতে পারবেন।

) সিভিল সার্জন ও বিভাগীয় পরিচালককে অবহিত করে ঈদের ছুটিকালে নিজ জেলার মধ্যে অতি প্রয়োজনীয় জনবল সমন্বয় করা যাবে।

) হাসপাতালের অন্তঃবিভাগ ইউনিট প্রধানরা প্রতিদিন তাদের বিভাগীয় কার্যক্রম তদারক করবেন। মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বিশেষায়িত হাসপাতাল, জেলা সদর হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরি ল্যাব ও এক্স-রে সেবা সার্বক্ষণিক চালু রাখতে হবে। উপজেলা পর্যায়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের অন-কল সেবা চালু রাখতে হবে।

) ছুটি শুরু হওয়ার আগেই পর্যাপ্ত ওষুধ, আইভি ফ্লুইড, কেমিক্যাল রি-অ্যাজেন্ট ও সার্জিক্যাল সামগ্রী মজুত এবং তাৎক্ষণিকভাবে সরবরাহের ব্যবস্থা রাখতে হবে। এক্ষেত্রে স্টোর কিপার অথবা ছুটি চলাকালে দায়িত্ব পাওয়া স্টাফ অবশ্যই নিজ জেলা ও উপজেলায় অবস্থান করবেন।

৮) অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস সার্বক্ষণিক চালু রাখতে হবে।

৯) ছুটি চলাকালে হাসপাতালের নিরাপত্তার জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে আগামপত্র দিতে হবে।

১০) ছুটি চলাকালে সব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে অগ্নিনির্বাপণ বিষয়ক সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

১১) প্রতিষ্ঠান প্রধান ও বিভিন্ন বিভাগের প্রধানরা ছুটিকালীন সেবা প্রদানকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করবেন এবং ঈদের দিন কুশল বিনিময় করবেন।

১২) প্রতিষ্ঠান প্রধান ছুটি নিলে অবশ্যই বিধি অনুযায়ী কাউকে দায়িত্ব দিতে হবে এবং দায়িত্ব গ্রহণকারী কর্মকর্তা সব দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে পালন করবেন। দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম ও মোবাইল নম্বর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে।

১৩) প্রতিষ্ঠান প্রধান ঈদের দিন রোগীদের উন্নতমানের খাবার পরিবেশন তদারকি করবেন এবং রোগীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।

১৪) বহির্বিভাগ একাধারে ৭২ ঘণ্টার বেশি বন্ধ রাখা যাবে না। এর ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠান প্রধানরা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেবেন।

১৫) ) বেসরকারি ক্লিনিক/হাসপাতালকে রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের অধীনে সার্বক্ষণিক জরুরি ও প্রসূতি বিভাগ খোলা রাখতে হবে।

) কোনো রোগী রেফার করার আগে প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা এবং যাত্রাপথের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে।

গ) রেফার্ড রোগীরা যাতে অ্যাম্বুলেন্স পায়, সেজন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করতে হবে।

১৬) যেকোনো দুর্যোগ বা অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা সম্পর্কে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুমকে তাৎক্ষণিকভাবে অবহিত করতে হবে।

আয়ু বাড়াতে অনেকে খাচ্ছেন জিএলপি-১, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া জানেন কি

কিডনির জন্য ক্ষতিকর ব্যথানাশক ওষুধ, বেশি ঝুঁকিতে যারা

সংক্রামক ব্যাধি রোধে সতর্কতা এবং করণীয়

ঈদের সময় কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহারে সতর্কতা

হিউম্যানয়েড রোবট দিচ্ছে অটিজমের চিকিৎসা

ঈদের পরে খাদ্যাভ্যাস কেমন হবে

দেশে প্রতি চারজনে একজন কিডনি রোগে আক্রান্ত: গবেষণা

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ডা. প্রভাত

চিকিৎসকদের ৭০% শহরে, স্বাস্থ্যসেবায় বৈষম্য গ্রামে

কিডনি রোগীরা রোজায় কীভাবে খাবেন