বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, গতিশীলতা এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করতে নিয়মিত মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম পরিদর্শন করছেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান মো. আজিজুল ইসলাম। বিএডিসির সকল সেবা কৃষকদের কাছে যথাসময়ে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে গত ৩০ ও ৩১ মার্চ তিনি কাশিমপুর ও মধুপুরের বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।
৩০ মার্চ কাশিমপুর উদ্যান উন্নয়ন কেন্দ্র পরিদর্শনকালে চেয়ারম্যান হাইব্রিড টমেটো, হাইব্রিড মিষ্টিকুমড়া ও গজ করলাসহ বিভিন্ন ফসলের বীজ উৎপাদন মাঠ পরিদর্শন করেন। এ ছাড়া তিনি বিদ্যমান জার্মপ্লাজম সেন্টার এবং সেখানে ট্রায়ালে থাকা বিভিন্ন জাতের উদ্যান জাতীয় ফসলের গবেষণা কার্যক্রমও পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় তিনি কর্মকর্তাদের প্রতিবছর নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেন এবং উদ্ভাবিত নতুন জাতসমূহ কৃষকদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার তাগিদ দেন।
পরদিন ৩১ মার্চ তিনি টাঙ্গাইলের মধুপুর বীজ উৎপাদন খামারের বিভিন্ন ফসলের মাঠ নিবিড়ভাবে পরিদর্শন করেন। গমবীজ ফসলের ‘গ্রো-আউট টেস্ট’ মূল্যায়ন কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বিএডিসির বীজ সারা দেশের কৃষকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। তাই বীজের মান ও উৎকর্ষ বৃদ্ধিতে আরও উদ্যোগী হতে হবে। অধিক ফসল উৎপাদনে বীজের বিশুদ্ধতা বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই।
মধুপুর প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে চেয়ারম্যান মো. আজিজুল ইসলাম কর্মকর্তাদের সতর্ক করে বলেন, সব ধরনের কার্যক্রমে আর্থিক বিধিবিধান এবং ‘পিপিআর-২০২৫’ পরিপূর্ণভাবে অনুসরণ করতে হবে। এর ব্যত্যয় ঘটলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে ব্যক্তিগতভাবে দায়ভার বহন করতে হবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
বর্তমান সরকারের নীতি ও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বিএডিসির সেবাসমূহ কৃষকদের কাছে পৌঁছে দিতে কর্মকর্তাদের অধিকতর দায়িত্বশীল হওয়ার গুরুত্বারোপ করেন চেয়ারম্যান। একই সঙ্গে এলাকাভিত্তিক বীজ ও সারের সঠিক চাহিদা নিরূপণ করতে অথবা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে প্রণীত চাহিদা সংগ্রহ করে সেই আলোকে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশনা দেন তিনি।