হোম > অর্থনীতি

জ্বালানি সংকটে অচল লাইটার জাহাজ

সুমেল সারাফাত, মোংলা (বাগেরহাট) 

জ্বালানির অভাবে মোংলা বন্দরের পশুর চ্যানেলে অধিকাংশ লাইটার জাহাজ অলস বসে রয়েছে। ছবি: আজকের পত্রিকা

জ্বালানি তেলের ঘাটতির কারণে মোংলা বন্দরে পণ্য খালাস ও পরিবহন কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। অধিকাংশ লাইটার জাহাজ তেলের অভাবে খালি বসে থাকায় মাদার ভ্যাসেল থেকে পণ্য খালাসে দীর্ঘসূত্রতা ও তীব্র অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। এতে বিপাকে পড়েছেন আমদানিকারকেরা।

বন্দরের বহির্নোঙরে মাদার ভ্যাসেল থেকে পণ্য খালাস ব্যাহত হওয়ায় জাহাজের টার্নঅ্যারাউন্ড টাইম বেড়ে যাচ্ছে। জরিমানা হিসেবে বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে আমদানিকারকদের। সব মিলিয়ে আমদানি করা খাদ্যশস্য, সার ও শিল্প কাঁচামাল খালাস ও পরিবহনে চরম বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার সরেজমিনে মোংলা বন্দরের পশুর চ্যানেলে গিয়ে দেখা যায়, শতাধিক খালি লাইটার জাহাজ নোঙর করে দাঁড়িয়ে রয়েছে কয়েক দিন ধরে। একই অবস্থা খুলনার রূপসা নদীর ৪ ও ৫ নম্বর ঘাট এলাকায়। সেখানেও রয়েছে শতাধিক খালি লাইটার জাহাজ। এমভি আর রশিদ-১ লাইটারের মাস্টার মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম জানান, জ্বালানি তেল না পাওয়ায় তাঁরা পণ্যবোঝাই করতে যেতে পারেননি। তাঁদের লাইটারটি এক সপ্তাহ খালি বসিয়ে রাখতে হয়েছে।

খুলনার রূপসা এলাকায় অবস্থানরত সেভেন সার্কেল সিমেন্ট কারখানার উৎপাদন বিভাগের কর্মকর্তা মো. মামুন বলেন, মোংলা বন্দরে সিমেন্টের কাঁচামাল নিয়ে আসা তাঁদের বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে লাইটার সংকটে নির্দিষ্ট সময়ে আমদানি পণ্য খালাস করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে প্রতিদিন বাণিজ্যিক জাহাজকে ১৭ হাজার ডলার বিলম্ব মাশুল দিতে হচ্ছে। একই সঙ্গে তাঁদের সিমেন্ট কারখানায় কাঁচামালের সংকট দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে লাইটার জাহাজ সংকটে কারখানায় উৎপাদিত সিমেন্ট নৌপথে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পাঠানো যাচ্ছে না।

এমভি মমতাজ লাইটার জাহাজের মালিক মো. খোকন বলেন, ‘তেল সরবরাহের জন্য মোংলা বাজারের তেল ব্যবসায়ী এসকে এন্টারপ্রাইজকে বলেছি। কিন্তু ওই প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, ডিপো থেকে তাদের ডিলারকে চাহিদামতো তেল সরবরাহ করা হচ্ছে না। তাই তারা আমাদেরকে তেল দিতে পারছে না। একই অবস্থা সব লাইটার জাহাজের। জ্বালানি তেল না পেয়ে লাইটার জাহাজ পণ্যবোঝাই করতে যেতে পারছে না।

মেঘনা অয়েল কোম্পানির মোংলার মেরিন ডিলার ও এজেন্ট মেসার্স নুরু অ্যান্ড সন্সের স্বত্বাধিকারী এইচ এম দুলাল বলেন, ‘বর্তমান সরকার খাল খনন, নদী খনন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, দেশের আমদানি-রপ্তানি বৃদ্ধিসহ নানামুখী কর্মকাণ্ড হাতে নিয়েছে। ফলে তেলের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। মোংলা বন্দরে জাহাজ আসা বৃদ্ধি পাওয়ায় আগের চেয়ে বেশি লাইটার জাহাজ জ্বালানি তেল নিতে মোংলায় আসছে। কিন্তু চাহিদা অনুযায়ী ডিপো থেকে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে না। তাই আমরা তেল দিতে পারছি না। এ ছাড়াও তেল সরবরাহ করতে না পারায় উপকূলীয় অঞ্চলে মৎস্য আহরণ প্রায় বন্ধ হওয়ার পথে।’

মোংলার মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের ব্যবস্থাপক (অপারেশন) প্রবীর হীরা বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি ডিলার বা এজেন্টদের তেল সরবরাহ করতে। তবে যেহেতু যুদ্ধের একটি প্রভাব রয়েছে, সে কারণে তেলের প্রাপ্যতা কম থাকায় সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক সরবরাহ করা হচ্ছে।’

টানা দুই মাস বেড়েছে নগদ টাকার প্রবাহ

বাণিজ্যিক প্রয়োজনে নেপাল–বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্ক গড়তে হবে: বিলিয়নিয়ার বিনোদ চৌধুরী

জ্বালানি ও জলবায়ু প্রকল্পে বাজেট সহায়তা দেবে এআইআইবি: অর্থমন্ত্রী

ছুটির দিনেও পেট্রলপাম্পে ভিড়

রোববার থেকে নতুন সময়সূচিতে ব্যাংক, অফিস

নগদের প্রশাসক মোতাছিম বিল্লাহর নির্বাহী পরিচালক পদে পদোন্নতি

বৃহস্পতিবার থেকে ঢাকায় ৩ দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা

শপিং মল ১১টা থেকে ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখতে চান ব্যবসায়ীরা, পুনর্বিবেচনার দাবি

যুক্তরাষ্ট্রে ওষুধ রপ্তানিতে দিতে হবে ১০০ শতাংশ শুল্ক

এনবিআরে বাজুসের প্রস্তাব: বাজেটে সোনা ও হীরায় ব্যাপক করছাড় দাবি