হোম > খেলা > ক্রিকেট

পিএসএলে প্রস্তুতিটা ভালোই হলো মোস্তাফিজ-রানার

ক্রীড়া ডেস্ক    

পিএসএলে দুর্দান্ত বোলিং করছেন নাহিদ রানা ও মোস্তাফিজুর রহমান। ছবি: ফেসবুক

ধুমধাড়াক্কার টি-টোয়েন্টিতে ব্যাটাররা ব্যাটে ঝড় তুলবেন—এটাই স্বাভাবিক। মারকাটারি ব্যাটিংয়ের টি-টোয়েন্টি লিগে কোন বোলার কত কম রান দিচ্ছেন, সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে পিএসএল খেলতে গিয়ে এ পর্যন্ত সফলই বলা যায় বাংলাদেশের দুই বোলার মোস্তাফিজুর রহমান ও নাহিদ রানা।

পরশু পর্যন্ত ১৩ ওভার বোলিং করে বেশি উইকেট পাননি মোস্তাফিজ। নিয়েছেন ৪ উইকেট। তবে ওভারপিছু রান দিয়েছেন ৭.০৭। বাংলাদেশের আরেক পেসার নাহিদ রানার ইকোনমি আরও কম—৫.২৮।

নাহিদ রানা অবশ্য মাত্র দুটি ম্যাচ খেলেছেন। পিএসএলে নিজের অভিষেক ম্যাচে খরুচে ছিলেন পেশোয়ার জালমির এই বোলার। হায়দরাবাদ কিংসমেনের বিপক্ষে ৩ ওভারে দিয়েছিলেন ৩০ রান। তবে পরশু নিজের দ্বিতীয় ম্যাচে করাচি কিংসের বিপক্ষে জ্বলে ওঠেন রানা। এদিন চার ওভারে দিয়েছেন মাত্র ৭ রান। ১ মেডেনসহ নিয়েছেন ৩ উইকেট।

নাহিদ রানার বলে বরাবরের মতো গতি ছিল পরশুও। তবে এদিন বলের ওপর অসম্ভব নিয়ন্ত্রণ ছিল তাঁর। যে কারণে বল হতে ম্যাচের সবচেয়ে সফল বোলার তিনি। শুধু কি ম্যাচে! পিএসএলের পরিসংখ্যান দেখাচ্ছে, নাহিদ রানার পরশুর বোলিং ফিগার ছিল টুর্নামেন্টের ইতিহাসে এক ইনিংসে বিদেশি বোলারদের দ্বিতীয় সেরা কিপ্টে বোলিং। রানা ম্যাচে গড়ে ওভারে রান দিয়েছেন ১.৭৫। ৩ কিংবা তারচেয়ে বেশি উইকেট নিয়ে বিদেশিদের মধ্যে পিএসএলে তাঁর চেয়ে কম রান দেওয়ার রেকর্ড ইংল্যান্ডের সামিত প্যাটেলের; ওভারপিছু ১.২৫ গড়ে রান দিয়ে ২০২০ সালে লাহোর কালান্দার্সের হয়ে ৪ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি।

পরশুর ম্যাচ শেষে করাচি কিংসের প্রতিনিধি হয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসা মঈন আলী রানাকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন এভাবে, ‘এক্সপ্রেস ফাস্ট বোলিং খেলা যেকোনো পিচেই কঠিন। সে (রানা) যে লেংথে বোলিং করেছে, দারুণ ছিল। বর্তমানে খুব বেশি গতিময় বোলার খুঁজে পাওয়া যাবে না। সে দুর্দান্ত বোলিং করেছে। তাকে সামলানো কঠিন ছিল। আমি বাংলাদেশের হয়েও বোলিং করতে দেখেছি। বাংলাদেশ ক্রিকেটের বড় একজন তারকা সে হবে।’

পিএসএলে গতকালের আগ পর্যন্ত ওভারপিছু ৭.০৭ রান দিয়েছেন মোস্তাফিজ, যা যথেষ্ট ভালো। কারণ, মোস্তাফিজের সমান ৪ ম্যাচ খেলা শাহিন শাহ আফিদির ইকোনমি আরও বেশি—৭.১৪। তবে টি-টোয়েন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে এরচেয়েও ভালো বোলিংয়ের রেকর্ড আছে কাটার মাস্টারের। ২০১৬ সালের আইপিএলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে ১৬ ম্যাচে ১৭ উইকেটে নিয়েছিলেন ৬.৯০ ইকোনমিতে।

এবারের পিএসএলে বাংলাদেশ থেকে খেলছেন আরও দুই বোলার শরীফুল ইসলাম ও রিশাদ হোসেন। দুজনের ইকোনমি ফিজ-রানার তুলনায় অনেক বেশি খারাপ। ৯ ওভার বল করে ৮.৩৩ ইকোনমিতে মাত্র ১ উইকেট নিয়েছেন শরীফুল। আর রিশাদ ১৪ ওভার বল করে নিয়েছেন ২ উইকেট। ইকোনমি—১১.০৭।

মাহমুদউল্লাহদের কথা শুনতে তামিম যখন সাংবাদিক

সাকিব-সৌম্যকে নিয়ে বিসিবির ভাবনা কী

নিউজিল্যান্ড সিরিজের দলে কেন পরিবর্তন আনেনি বিসিবি

পাকিস্তান সিরিজের দল নিয়েই নিউজিল্যান্ড সিরিজে খেলবে বাংলাদেশ

বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজের টিকিটের দাম সর্বনিম্ন ২০০ টাকা, সর্বোচ্চ কত

জিম্বাবুয়ে-আফগানিস্তান-আয়ারল্যান্ডকে সুখবর দিচ্ছে আইসিসি

কলকাতার জয় ছিনিয়ে নেওয়া কে এই মুকুল চৌধুরী

বাংলাদেশ সিরিজ শেষ নিউজিল্যান্ডের এই ক্রিকেটারের

পাকিস্তানে গেলেই বারুদ হয়ে যান রানা

ডটের পর ডট দিয়ে টি-টোয়েন্টির এলিট ক্লাবে মোস্তাফিজ