হোম > জাতীয়

মামলার জট কমাতে ‘মেডিয়েশন’ কার্যক্রম জোরদারের আহ্বান আইনমন্ত্রীর

বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা

মো. আসাদুজ্জামান। ছবি: সংগৃহীত

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, দেশের আদালতগুলোতে মামলার জট কমাতে সরকার প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের মাধ্যমে মধ্যস্থতা (মেডিয়েশন) কার্যক্রম জোরদার করার উদ্যোগ নিয়েছে। এতে নতুন মামলা দায়েরের প্রবণতা উল্লেখযোগ্য হারে কমবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টার অডিটরিয়ামে ‘ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমে প্রক্রিয়াগত প্রতিবন্ধকতা’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বিচারকদের উদ্দেশে বলেন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় জুডিশিয়াল অ্যাকটিভিজম (বিচারিক সক্রিয়তা) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি আইনজীবীদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে নিয়মিত প্রশিক্ষণের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। মামলা দীর্ঘায়িত করার প্রবণতা রোধে বিচারকদের আরও সক্রিয় হওয়ার পরামর্শ দেন মন্ত্রী।

আইনমন্ত্রী বলেন, আইন প্রণয়ন ও সংশোধনের ক্ষেত্রে দেশের সামাজিক বাস্তবতা বিবেচনা করা জরুরি। শুধু আবেগের বশবর্তী হয়ে নয়, গবেষণা ও বাস্তব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে কার্যকর আইন প্রণয়ন করা সম্ভব।

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বিচারকদের আইনসম্মত সিদ্ধান্ত গ্রহণে সরকার পুরোপুরি সহায়তা ও প্রয়োজনীয় সুরক্ষা প্রদান করবে। অতীতে সৎ বিচারকদের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক চাপ সৃষ্টির উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে এই ধরনের প্রবণতা প্রতিহত করতে হবে।

বিচারব্যবস্থায় বিদ্যমান আমলাতান্ত্রিক জটিলতার বিষয় তুলে ধরে আইনমন্ত্রী বলেন, ছোট ছোট প্রশাসনিক সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক সময় বিচারকেরা দ্রুত বিচারকাজ সম্পন্ন করতে পারেন না। এসব সমস্যা সমাধানে বিচারকদের ক্ষমতায়ন এবং প্রশাসনিক সংস্কার করা প্রয়োজন।

আইনমন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশে ৪০ লাখের অধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে, যার মধ্যে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের অধীন প্রায় ৩ লাখ মামলা। বিচারকের সংখ্যা সীমিত হওয়ায় দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা একটি বড় চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে।

আইনমন্ত্রী বলেন, সবার জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বিচার বিভাগের সক্ষমতা আরও বাড়ানো জরুরি। এই লক্ষ্যে বিচার বিভাগের জন্য বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধির ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহর সভাপতিত্বে সেমিনারে বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মঞ্জুরুল হোসেন বক্তব্য দেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ উম্মে কুলসুম।

অনুষ্ঠানে বিচার বিভাগের কর্মকর্তা, আইনজীবী, বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সম্মেলনে যোগ দিতে দিল্লিতে গিয়ে বিমানবন্দর থেকেই ফিরলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

গুম প্রতিরোধ আইনের খসড়া: তদন্তের ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ

গুম-খুনের শিকার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল রানা-স্বপ্নার জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ

সংসদীয় স্থায়ী কমিটি: আইন মন্ত্রণালয়ের সভাপতি পার্থ, অর্থে মুশফিকুর রহমান

স্থায়ী পাবলিক পরীক্ষাকেন্দ্র স্থাপন সরকারের বিবেচনায়: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী

বিআরটি নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত শুনলেন প্রধানমন্ত্রী, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি

হাসিনার করা চুক্তিই খুলে দিতে পারে বেনজীরকে ফেরানোর পথ

আবু সাঈদ হত্যা মামলার ৮০৯ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

দেশের এইচএসসি সিঙ্গাপুরের ক্লাস সিক্সের সমান: সংসদে ববি হাজ্জাজ