হোম > শিক্ষা

সম্পূর্ণ অর্থায়িত বৃত্তি: ইন্দোনেশিয়ায় পড়তে চাইলে

শিক্ষা ডেস্ক

ইউনিভার্সিটি মুহাম্মদিয়া সুরাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া।

ইন্দোনেশিয়ায় উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন পূরণে শিক্ষার্থীদের জন্য এক রাজকীয় সুযোগ নিয়ে এসেছে ‘ইন্টারন্যাশনাল প্রায়োরিটি স্কলারশিপ’ (আইপিএস) ২০২৬। বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের মেধাবী শিক্ষার্থীরা সম্পূর্ণ অর্থায়িত এ বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। ইন্দোনেশিয়ার অন্যতম শীর্ষ বিদ্যাপীঠ ইউনিভার্সিটি মুহাম্মদিয়া সুরাকার্তা থেকে নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা স্নাতক, স্নাতকোত্তর এবং পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ পাবেন।

ইন্দোনেশিয়ার সেন্ট্রাল জাভা প্রদেশের ঐতিহাসিক শহর সুরাকার্তায় অবস্থিত ইউনিভার্সিটি মুহাম্মদিয়া সুরাকার্তা দেশটির অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এবং শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯৫৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে তার একাডেমিক উৎকর্ষ এবং আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে ইসলামি মূল্যবোধের সমন্বয়ের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। টাইমস হায়ার এডুকেশন ২০২৬-এর র‍্যাঙ্কিং অনুযায়ী, এটি ইন্দোনেশিয়ার সেরা ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে স্বীকৃত।

সুযোগ-সুবিধা

ইউএমএস স্কলারশিপের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো, এটি সম্পূর্ণ টিউশন ফি মওকুফ সুবিধা দিয়ে থাকে। এই বৃত্তির আওতায় জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহের জন্য প্রতি মাসে ১৭ লাখ ৫০ হাজার ইন্দোনেশীয় রুপিয়াহ অ্যালাউন্স দেওয়া হবে। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে এ বৃত্তির আওতায় সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যবিমা সুবিধা রাখা হয়েছে। এ ছাড়া নিজ দেশ থেকে ইন্দোনেশিয়ায় আসা এবং পড়াশোনা শেষে ফিরে যাওয়ার জন্য রিটার্ন এয়ার টিকিটের ব্যবস্থা রয়েছে।

আর্থিক সুবিধার পাশাপাশি এই স্কলারশিপ শিক্ষার্থীদের পেশাদার ও ব্যক্তিগত উন্নয়নেও বিশেষ ভূমিকা রাখে। নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা অভিজ্ঞ মেন্টরদের অধীনে সরাসরি কাজ করার সুযোগ পাবেন। এ ছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মেধাবী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নেটওয়ার্কিং করার এক বিশাল প্ল্যাটফর্ম তৈরি হবে এখানে।

আবেদনের যোগ্যতা

ইন্টারন্যাশনাল প্রায়োরিটি স্কলারশিপের জন্য আবেদনের প্রাথমিক শর্ত হলো, আন্তর্জাতিক প্রার্থী হতে হবে। ইন্দোনেশিয়ার বাইরের যেকোনো দেশের নাগরিক এই বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। শিক্ষাগত স্তরের ক্ষেত্রে এই স্কলারশিপটি অত্যন্ত বৈচিত্র্যময়। স্নাতক ডিগ্রির জন্য আবেদন করতে প্রার্থীদের উচ্চমাধ্যমিকের সনদ থাকতে হবে। স্নাতকোত্তরের জন্য আবেদন করতে স্নাতক আর পিএইচডির জন্য আবেদন করতে প্রার্থীদের স্নাতকোত্তরের সনদ থাকতে হবে।

বৃত্তির মেয়াদ

বৃত্তিটির সময়কাল মূলত নির্বাচিত কোর্সের পূর্ণ মেয়াদের ওপর ভিত্তি করে সাজানো হয়েছে। যাঁরা স্নাতক প্রোগ্রামে ভর্তি হবেন, তাঁরা টানা ৮টি সেমিস্টার চার বছর পর্যন্ত এই বৃত্তির সম্পূর্ণ সুবিধা পাবেন। স্নাতকোত্তরে এই বৃত্তির মেয়াদকাল নির্ধারণ করা হয়েছে চারটি সেমিস্টার বা দুই বছর। অন্যদিকে, যাঁরা গবেষণাধর্মী পিএইচডি প্রোগ্রামে অংশ নেবেন, তাঁরা টানা ৬টি সেমিস্টার বা তিন বছর পর্যন্ত বৃত্তির সুবিধা পাবেন।

আবেদনের পদ্ধতি

আগ্রহী প্রার্থীরা লিঙ্কে ক্লিক করে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ১৫ মে, ২০২৬।

ক্লাসে নোট নেওয়ার ৫ পদ্ধতি

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা: ভালো ফলের জন্য সেরা প্রস্তুতি

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা চলতি মাসের শেষে

কচুয়ার স্কুলে ফিরছে শিক্ষামন্ত্রীর নাম

হেলমেট পরে পরীক্ষায় বসলেন জবি শিক্ষার্থীরা ‎

অনুমোদন চায় আরও ১১ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়

প্রাথমিকেও চালু হচ্ছে সপ্তাহে তিন দিন অনলাইন ক্লাস

স্কলারশিপ: যুক্তরাজ্যে পড়ার স্বপ্ন যাঁদের

‎জবিতে পঞ্চম মেধাতালিকা প্রকাশ, ভর্তি শুরু ২ এপ্রিল থেকে

জবির বেদখল ২ হল খালি করতে ১০ দিনের আলটিমেটাম ছাত্রদলের