হোম > সারা দেশ > রাজশাহী

‘নদীর নাম পরিবর্তন করে খাল বলা যাবে না’

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

বারনই নদের পাড়ে সমাবেশ হয়। ছবি: আজকের পত্রিকা

খরাপ্রবণ বরেন্দ্র অঞ্চলসহ দেশের নদ-নদী দখল ও দূষণ বন্ধ এবং নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ রক্ষার দাবিতে ‘নদী বাঁচাও, জীবন বাঁচাও, বাঁচাও বাংলাদেশ’ স্লোগানে রাজশাহীতে নদী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশ থেকে নদীর নাম পরিবর্তন করে ‘খাল’ আখ্যা দেওয়ার প্রবণতা বন্ধের দাবি জানানো হয়। আজ শনিবার বেলা ১১টায় রাজশাহীর পবা উপজেলার বড়গাছি সূর্যপুর জেলেপাড়াসংলগ্ন বারনই নদের পাড়ে এ সমাবেশ হয়।

সমাবেশের আয়োজন করে রাজশাহী গ্রিন কোয়ালিশন, বরেন্দ্র ইয়ুথ ফোরাম ও বেসরকারি উন্নয়ন গবেষণাপ্রতিষ্ঠান বারসিক। সমাবেশে সভাপ্রধান ছিলেন পবা উপজেলা গ্রিন কোয়ালিশনের সভাপতি রহিমা খাতুন। সঞ্চালনা করেন বারসিকের বরেন্দ্র অঞ্চলের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী শহিদুল ইসলাম।

সমাবেশে নদী ও পরিবেশ বিষয়ে বক্তব্য দেন মো. মাহবুব সিদ্দিকী। নদীদূষণ ও কৃষি উৎপাদনের সমস্যা নিয়ে অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন তানোর উপজেলার স্বশিক্ষিত কৃষি গবেষক ও জাতীয় কৃষি পদকপ্রাপ্ত কৃষক নুর মোহাম্মদ। এ ছাড়া বক্তব্য দেন বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমির পরিচালক শেখ মেহেদী মোহাম্মদ, বরেন্দ্র ইয়ুথ ফোরামের সভাপতি আতিকুর রহমান, ইসিতা ইয়াসমিন, সিনিয়র সদস্য সম্রাট রায়হান ও আলমাস আলীসহ স্থানীয় বাসিন্দারা।

বক্তারা বলেন, রাজশাহী নগরের অনিয়ন্ত্রিত কঠিন ও তরল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কারণে নগরসংলগ্ন নদী, বিল ও জলাধার মারাত্মক দূষণ ও দখলের মুখে পড়েছে। সময়মতো কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে এটি পরিবেশ, কৃষি ও জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।

নদী গবেষক মো. মাহবুব সিদ্দিকী বলেন, ‘পদ্মার প্রবাহ থেকে স্বরমঙ্গলা, বারাহী, নবগঙ্গা ও করতোয়াসহ অনেক নদী ধ্বংস হয়ে গেছে। বর্তমানে খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে বিভিন্ন নদীকে “খাল’’ হিসেবে আখ্যায়িত করার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। নদীর নাম পরিবর্তন করলে ভবিষ্যতে এসব নদী দখল হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হবে। তাই নদীকে খাল বলা যাবে না।’

সমাবেশে গ্রিন কোয়ালিশনের গবেষণা দলের মাঠ পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনও উপস্থাপন করা হয়। এতে বলা হয়, রাজশাহী নগরের দূষিত বর্জ্য সাপমারার বিল, বগমারি বিল, ভূগরোইল বিল, পাইকরের বিল, বড় বাড়িয়া বিল, কর্ণাহার বিলসহ বিভিন্ন জলাধারে প্রবেশ করে জীববৈচিত্র্য ও কৃষি উৎপাদনকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। এমনকি এই দূষিত পানি নিম্নপ্রবাহে নাটোর জেলার চলন বিল পর্যন্ত পৌঁছে আঞ্চলিক পরিবেশগত ঝুঁকি তৈরি করছে।

সমাবেশ থেকে নদীকে ‘খাল’ আখ্যা দেওয়া বন্ধ, রাজশাহী নগরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন, বরেন্দ্র অঞ্চলের জলাধার সংরক্ষণ, শিল্প ও হাসপাতালের বর্জ্য শোধন বাধ্যতামূলক করা, নদী-বিলে সরাসরি ড্রেন সংযোগ বন্ধ, পানি ও মাটির গুণগত মান পরীক্ষা এবং নদী-বিল দখল বন্ধ করে সমন্বিত পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা গ্রহণসহ সাত দফা দাবি তুলে ধরা হয়।

রাবি ছাত্রলীগ নেতা সোলায়মান আটক

মুঘল-পাঠানের ‘পরাজিত সম্রাট’

রাজশাহীতে হিমাগার ভাড়া পুনর্নির্ধারণে তদন্ত কমিটি, আপাতত কেজিতে ৬ টাকা

রাজশাহীতে দিনব্যাপী চাকরি মেলা

রাজশাহী সীমান্তে ২৩ জনকে পুশ ইনের চেষ্টা, সতর্ক বিজিবি

খাঁচাবন্দী ‘মিঠুকে’ মুক্ত করতে থানায় অভিযোগ, এলাকায় তোলপাড়

সীমান্ত সুরক্ষা ও হেযবুত তওহীদ নিষিদ্ধের দাবিতে হেফাজতে ইসলামের বিক্ষোভ

রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হলেন আবুল কালাম আজাদ

হিমাগার থেকে আলু ছাড় বন্ধ

রাজশাহীতে মাইক্রোবাস-বাইসাইকেল সংঘর্ষ, স্কুলছাত্র নিহত