হোম > সারা দেশ > রাজবাড়ী

পাম্পকর্মীকে গাড়িচাপায় হত্যার কথা স্বীকার চালকের, যুবদল নেতাসহ কারাগারে

রাজবাড়ী প্রতিনিধি

রাজবাড়ীতে পেট্রলপাম্পের কর্মী রিপন সাহাকে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যা মামলায় যুবদল নেতা আবুল হাশেম সুজনকে আদালতে তোলা হয়। ছবি: আজকের পত্রিকা

রাজবাড়ীতে তেলের টাকা পরিশোধ না করে চলে যাওয়ার সময় পেট্রলপাম্পের কর্মী রিপন সাহাকে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন চালক কামাল হোসেন।

শনিবার বিকেল ৪টার দিকে রাজবাড়ী জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১-এর বিচারক মো. মহসিন হাসান আসামির জবানবন্দি লিপিবদ্ধ শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। অপর আসামি রাজবাড়ী জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আবুল হাশেম সুজনকেও কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

রিপনকে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যার ঘটনায় তাঁর ছোট ভাই লিটন সাহা বাদী হয়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় সুজন ও চালক কামালকে আসামি করে মামলা করেন।

রাজবাড়ী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাসেল মোল্লা জানান, শুক্রবার ভোরে রাজবাড়ী সদর উপজেলার করিম ফিলিং স্টেশনে একটি জিপ গাড়ি আসে। গাড়ি থেকে নেমে জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আবুল হাশেম সুজন পাম্পে দায়িত্বরত রিপন সাহাকে পাঁচ হাজার টাকার অকটেন দিতে বলেন। তেল নেওয়া শেষে টাকা পরিশোধ না করেই সুজন গাড়িতে উঠে চালককে দ্রুত গাড়ি চালানোর নির্দেশ দেন। টাকা নেওয়ার জন্য রিপন দৌড়ে গাড়ির কাছে গেলে তাঁকে চাপা দিয়েই গাড়িটি দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। এতে ঘটনাস্থলেই রিপনের মৃত্যু হয়।

পরিদর্শক (তদন্ত) রাসেল মোল্লা আরও জানান, শনিবার বিকেলে আদালতে নিয়ে আসা হলে গাড়িচালক কামাল হোসেনের ১৬৪ ধারায় আদালতে জবানবন্দি দেন। পরে দুজনকেই কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক।

নিখোঁজ জামায়াতের কর্মীর দগ্ধ লাশ উদ্ধার

দৌলতদিয়ায় বাসডুবি: চালক-হেলপারসহ গ্রেপ্তার ৩

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মায় বাস পড়ে যাওয়ার ঘটনায় যান্ত্রিক ত্রুটি খতিয়ে দেখা হবে: প্রতিমন্ত্রী

দৌলতদিয়ায় ৬ ঘণ্টা পর ফের যানবাহন পারাপার শুরু

‘দুই মিনিট আগে বাস থেকে নেমেছি, এরপরই চোখের সামনে পদ্মায় ডুবে গেল’

পদ্মায় পড়ে যাওয়া বাস উদ্ধার

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও বাস পড়ল পদ্মায়

বৈরী আবহাওয়ার কারণে ৪৫ মিনিট বন্ধ লঞ্চ-ফেরি চলাচল

রাজবাড়ীর কালুখালীতে বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২

ঈদ ঘিরে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়ায় বিশেষ প্রস্তুতি, চলবে ১৭ ফেরি ও ২০ লঞ্চ