হোম > সারা দেশ > চট্টগ্রাম

আশায় বুক বেঁধেছে চট্টগ্রামের বিনোদনকেন্দ্রগুলো

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ চলছে। ছবি: আজকের পত্রিকা

পবিত্র ঈদুল ফিতরে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘুরে বেড়ানোর মধ্যেই যত আনন্দ। এই আনন্দকে কেন্দ্র করে ভ্রমণপিপাসুরা আগেভাগেই ছক করেন কোথায় ঘুরবেন, আর কীভাবে সময় কাটাবেন। তবে এরই মধ্যে চট্টগ্রামের বিনোদনকেন্দ্রগুলো পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় করে সাজিয়ে তোলা হয়েছে।

প্রতিবছর ঈদে পতেঙ্গা সি বিচ, পতেঙ্গা আউটার রিং রোড, কালুরঘাট টু চাক্তাই সাগরপাড়ের রোড, আগ্রাবাদ জাম্বুরি পার্ক, ফয়’স লেক, চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা, আনোয়ারায় পারকিচর, সীতাকুণ্ডের গুলিয়াখালী সমুদ্রসৈকত, সীতাকুণ্ড ইকোপার্ক, বাঁশখালী ইকোপার্ক, মিরসরাই ইকোনমিক জোন, আনোয়ারায় কেইপিজেড ও সিআরবিতে বিনোদনপ্রেমীদের ভিড় জমে।

এ ছাড়া চট্টগ্রামের ২১টি চা বাগানে ভিড় করেন পর্যটকেরা। এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। গতবারে বৈরী রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে পর্যটন কেন্দ্রিক ব্যবসা-বাণিজ্য তেমন সুবিধার না হলেও এবার অনেকে এ ক্ষেত্রে আশায় বুক বেঁধেছেন।

চট্টগ্রাম নেভাল একাডেমি, ভাটিয়ারি, বাটালি হিল, ভুজপুর সংরক্ষিত বনাঞ্চল, মিরসরাইয়ের মহামায়া লেকেও বেড়ানোর ব্যবস্থা রয়েছে। চট্টগ্রাম মহানগরীর মধ্যে মাটি-টা ইকো রিসোর্ট, সি-ওয়ার্ল্ড, রেলওয়ে জাদুঘরসহ একাধিক স্থান রয়েছে বেড়ানোর।

অপর দিকে ঈদের ছুটিতে সবচেয়ে বেশি ভিড় হয় পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে। সূর্যাস্তের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য, খোলা আকাশ আর সাগরের ঢেউয়ের গর্জন সব মিলিয়ে পরিবার নিয়ে সময় কাটানোর আদর্শ স্থান। দর্শনার্থীদের জন্য পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তা জোরদার করা হচ্ছে এখানে।

নগরীর সবচেয়ে বড় বিনোদনকেন্দ্র এটি। দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রসৈকতও পতেঙ্গা বিচ। গত ঈদেও পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে লক্ষাধিক দর্শনার্থীর আগমন ঘটেছিল। এবারও আবহাওয়া অনুকূলে রয়েছে। তাই দর্শনার্থীর সংখ্যা বাড়তে পারে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

পতেঙ্গায় অবস্থিত একমাত্র কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত কর্ণফুলী টানেল। এই টানেল দেখতেও দর্শনার্থীদের ভিড় থাকবে বলেও জানান সংশ্লিষ্টরা। তাদের নিরাপত্তায় পতেঙ্গা এলাকায় ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষ থেকে নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

শহরের কোলাহল থেকে একটু দূরে নিরিবিলি পরিবেশে সময় কাটাতে ছুটে যান বাঁশবাড়িয়া সমুদ্রসৈকতে। কর্ণফুলী টানেল হয়ে খুব কম খরচে যাওয়া যায় পারকিচর বিচে। যেখানে যাওয়া মানেই হলো এক ঢিলে দুই পাখি মারার মতো। সমুদ্রের সঙ্গে টানেল দেখা হয়ে গেল। ঈদকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামের বিভিন্ন আবাসিক হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টে অগ্রিম বুকিং বাড়ছে।

ঈদ প্রস্তুতির বিষয়ে জানতে চাইলে ফয়’স লেক কনকর্ডের ব্যবস্থাপক (মার্কেটিং) বিশ্বজিৎ ঘোষ জানান, রমজানের ঈদকে সামনে রেখে হাতের ছোঁয়ায় সবকিছু পরিষ্কার করা হচ্ছে। পর্যটকদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত রয়েছে ফয়’স লেক। আশা করছি পর্যাপ্ত ব্যবসা এবার হবে।

বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের হোটেল সৈকতের ম্যানেজার আবুল হাসনাত মো. হাবিবুল বারি বলেন, ‘ঈদকে কেন্দ্র করে কক্সবাজার, রাঙামাটি ও বান্দরবানের অবস্থিত আমাদের হোটেল-মোটেলগুলোয় বুকিং বেশি হয়। কিন্তু চট্টগ্রাম মহানগরীর হোটেল সৈকতও ঈদকেন্দ্রিক পর্যটকদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত।’

শাহ আমানতে নিরাপত্তাপ্রহরীর ঘুষিতে সুপারভাইজার আহত

চট্টগ্রামে মা ও শিশুসন্তানের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, হত্যা দাবি পরিবারের

চসিকের ৩ সহস্রাধিক পরিচ্ছন্নতাকর্মী পেলেন প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার

চট্টগ্রামে বিশেষ অভিযানে ১৪ দিনে গ্রেপ্তার ৭০৫, উদ্ধার প্রায় ২ লাখ ইয়াবা

চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়ক যেন মৃত্যুফাঁদ, ২ মাসেই প্রাণ গেছে ১০ জনের

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব ও সিইউজের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

গৃহবধূকে হত্যার পর শিশুসন্তানকে নিয়ে থানায় স্বামী

ফটিকছড়িতে কাভার্ড ভ্যানের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

চন্দনাইশে ছুরিকাঘাতে রাজমিস্ত্রি নিহত, তিন সন্তান নিয়ে স্ত্রীর আহাজারি

ফটিকছড়িতে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত