হোম > সারা দেশ > চট্টগ্রাম

বাঁশখালীতে মামলার বাদীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি 

মোজাহের আলী। ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার মোজাহের আলী (৪৮) নামে মামলার এক বাদীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) রাতে গন্ডামারা ইউনিয়নের পূর্ব বড়ঘোনা ৭ নম্বর ওয়ার্ডের গোলাপজানিতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মোজাহের আলী উপজেলার গন্ডামারা ইউনিয়নের পূর্ব বড়ঘোনা ৭ নম্বর ওয়ার্ডের শেয়ার আলীর ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক মাস আগে মোজাহের আলী তাঁর বসতবাড়ি ও দোকানে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় স্থানীয় আব্দুর রহমান, সাইমন, রাকিব, দেলোয়ারসহ ২৩ জনকে আসামি করে মামলা করেন। ওই মামলার তিন আসামি বর্তমানে জেল-হাজতে রয়েছেন। গতকাল চট্টগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ আদালতে এই মামলার শুনানির দিন ছিল। মামলার শুনানি শেষে আসামিদের জামিন নামঞ্জুর করায় আসামিপক্ষের লোকজন ক্ষেপে গিয়ে তাঁর ওপর আক্রমণ চালিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

মোজাহেরের মামা আবদুর রহমান জানান, আদালত থেকে মামলার কাজ শেষ করে রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাড়ির কাছাকাছি পূর্ব বড়ঘোনা ৭ নম্বর ওয়ার্ডে ফারজানার কবরের উত্তর পাশে পৌঁছালে আসামিপক্ষের লোকজন মোজাহেরের ওপর লাঠি ও হাতুড়ি দিয়ে অতর্কিত হামলা চালান। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।

বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘পূর্বশত্রুতার জের ধরে লাঠির আঘাতে একজনের মৃত্যুর খবর আমরা পেয়েছি। খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

চট্টগ্রামে মা-মেয়ে হত্যাকাণ্ডে প্রধান আসামি তেজ বড়ুয়া গ্রেপ্তার

হালদা থেকে অবৈধভাবে বালু তুলে তীর রক্ষা বাঁধ

রাউজানে গুলিতে নিহত যুবদল নেতার জানাজায় হাজারো মানুষ, এখনো মামলা হয়নি

চট্টগ্রামে বাবার বাড়ির কবরস্থানে নারীর লাশ দাফনে বাধা

হালদা বিপন্ন করে নির্মাণ হচ্ছে তীররক্ষা বাঁধ

সিডিএর স্বার্থ রক্ষা করা আমার ইমানি দায়িত্ব: চেয়ারম্যান

ঘরে ঢুকে মা-মেয়ে হত্যা, অটোরিকশার চুক্তিপত্র বিরোধে এই নৃশংসতা!

চট্টগ্রামে মা-মেয়ের রক্তাক্ত লাশ, জখম নিয়ে পড়ে ছিল ৫ বছরের শিশু

ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে হেনস্তার ঘটনায় খুলশী থানার ওসি প্রত্যাহার

ক্রিকেটার নাঈমকে মারধর: এসআইসহ ২ পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত, বিভাগীয় মামলা প্রক্রিয়াধীন