হোম > সারা দেশ > চট্টগ্রাম

মিয়ানমার সীমান্তে গোলাগুলি: টেকনাফের গুলিবিদ্ধ শিশুটি লাইফ সাপোর্টে

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

ফাইল ছবি

মিয়ানমার থেকে আসা গুলিতে আহত টেকনাফের শিশুটিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে (নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্র) ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে। রোববার বিকেল সাড়ে ৪টায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনার পরপরই গুলিবিদ্ধ শিশুটিকে আইসিইউতে নেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক নুরুল আলম আশেক।

হুজাইফা আফনান (৯) নামে গুলিবিদ্ধ শিশুটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফের হোয়াইক্যাং ইউনিয়নের জসিম উদ্দিনের মেয়ে। ওই শিশুর অবস্থা গুরুতর বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন।

পরিবারের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, শিশুটি স্থানীয় একটি স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অ্যানেসথেসিয়া ও আইসিইউ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক হারুন অর রশিদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘শিশুটির অবস্থা গুরুতর। তাকে আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে। গুলি তার মুখের এক পাশ দিয়ে ঢুকে মস্তিষ্কে প্রবেশ করেছে।’

টেকনাফের হোয়াইক্যং সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে আরাকান আর্মি ও আরসার মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ চলছে। তিন দিন ধরে সীমান্তের ওপারে ব্যাপক গোলাগুলিতে এপারেও আতঙ্ক বিরাজ করছে।

এর মধ্যে আজ সকাল ৯টার দিকে মিয়ানমার থেকে আসা গুলিতে টেকনাফের হোয়াইক্যাং তেচ্ছাব্রিজ এলাকায় আহত হয় তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী হুজাইফা।

গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর প্রথমে শিশুটি মারা যাওয়ার কথা শোনা গেলেও তা সঠিক ছিল না। এর আগে শিশুটির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে সড়ক অবরোধ করেন।

চট্টগ্রামে মা-মেয়ে হত্যাকাণ্ডে প্রধান আসামি তেজ বড়ুয়া গ্রেপ্তার

হালদা থেকে অবৈধভাবে বালু তুলে তীর রক্ষা বাঁধ

রাউজানে গুলিতে নিহত যুবদল নেতার জানাজায় হাজারো মানুষ, এখনো মামলা হয়নি

চট্টগ্রামে বাবার বাড়ির কবরস্থানে নারীর লাশ দাফনে বাধা

হালদা বিপন্ন করে নির্মাণ হচ্ছে তীররক্ষা বাঁধ

সিডিএর স্বার্থ রক্ষা করা আমার ইমানি দায়িত্ব: চেয়ারম্যান

ঘরে ঢুকে মা-মেয়ে হত্যা, অটোরিকশার চুক্তিপত্র বিরোধে এই নৃশংসতা!

চট্টগ্রামে মা-মেয়ের রক্তাক্ত লাশ, জখম নিয়ে পড়ে ছিল ৫ বছরের শিশু

ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে হেনস্তার ঘটনায় খুলশী থানার ওসি প্রত্যাহার

ক্রিকেটার নাঈমকে মারধর: এসআইসহ ২ পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত, বিভাগীয় মামলা প্রক্রিয়াধীন