হোম > সারা দেশ > চট্টগ্রাম

‘তোরা বেশি বিরক্ত করছ’ বলে সাংবাদিককে মারধর

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম নগরে পেশাগত দায়িত্বপালনের সময় চ্যানেল ২৪-এর ভিডিও সাংবাদিক সেলিম উল্লাহকে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল রোববার রাতে ডবলমুরিং থানার মনসুরাবাদ এলাকার মসজিদের সামনে এই ঘটনা ঘটে। পুলিশ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে। 

সাংবাদিক সেলিম উল্লাহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এই ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে গতকাল রাতে সাতজনের নামসহ আরও আটজনকে অজ্ঞাত আসামি করে ডবলমুরিং থানায় মামলা করেছেন। জড়িতরা সবাই সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র আব্দুস সবুর লিটনের অনুসারী বলে দাবি সাংবাদিক সেলিম উল্লাহর। 

ডবলমুরিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফজলুল কাদের পাটোয়ারী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এই ঘটনায় সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদেরকে আদালতে তোলা হচ্ছে।’ 

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. ফখরুল ইসলাম (২৩), ইরফান (২০), মাহিন (২৫), জুবায়েদ আলী (১৯), মো. মোসাদ্দেক হোসেন (১৯), মো. রফিক (৩৫) ও বিল্লাল বেপারি (২৮)। 

সেলিম উল্লাহ আজকের পত্রিকাকে বলেন, দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ভিডিও ধারণের সময় প্রথমে সাদ্দাম নামের একজন মোবাইল ফোন কেড়ে নেন। এরপর তিনি বলেন, ‘তোরা সাংবাদিকেরা বেশি বিরক্ত করছ।’ তারপর ১৫ জন এসে বেধড়ক মারধর করেন। ছুরি নিয়ে হত্যার চেষ্টা করেন। তাঁরা সবাই প্যানেল মেয়ের আব্দুস সবুর লিটনের অনুসারী। 

এদিকে প্যানেল মেয়র আব্দুস সবুর লিটনের দাবি, সাংবাদিককে মারধরে জড়িতরা তাঁর অনুসারী না।

চট্টগ্রামে মা-মেয়ে হত্যাকাণ্ডে প্রধান আসামি তেজ বড়ুয়া গ্রেপ্তার

হালদা থেকে অবৈধভাবে বালু তুলে তীর রক্ষা বাঁধ

রাউজানে গুলিতে নিহত যুবদল নেতার জানাজায় হাজারো মানুষ, এখনো মামলা হয়নি

চট্টগ্রামে বাবার বাড়ির কবরস্থানে নারীর লাশ দাফনে বাধা

হালদা বিপন্ন করে নির্মাণ হচ্ছে তীররক্ষা বাঁধ

সিডিএর স্বার্থ রক্ষা করা আমার ইমানি দায়িত্ব: চেয়ারম্যান

ঘরে ঢুকে মা-মেয়ে হত্যা, অটোরিকশার চুক্তিপত্র বিরোধে এই নৃশংসতা!

চট্টগ্রামে মা-মেয়ের রক্তাক্ত লাশ, জখম নিয়ে পড়ে ছিল ৫ বছরের শিশু

ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে হেনস্তার ঘটনায় খুলশী থানার ওসি প্রত্যাহার

ক্রিকেটার নাঈমকে মারধর: এসআইসহ ২ পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত, বিভাগীয় মামলা প্রক্রিয়াধীন