হোম > সারা দেশ > ঢাকা

শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পেছাল

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

সাকিব আল হাসান। ছবি: বিসিবি

শেয়ারবাজারে শত শত কোটি টাকা বিনিয়োগে প্রলুব্ধ করে দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পিছিয়েছে। আগামী বছর ২০ মে নতুন তারিখ ধার্য করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এই তারিখ ধার্য করেন।

আজ তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় আদালত নতুন তারিখ ধার্য করেন। দুদকের প্রসিকিউশন বিভাগের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম নতুন তারিখ ধার্যের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

গত বছরের ১৭ মে দুদক প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

এই মামলার অপর আসামিরা হলেন সমবায় অধিদপ্তরের উপনিবন্ধক আবুল খায়ের ও তাঁর স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান এবং আবুল কালাম মাদবর, কনিকা আফরোজ, মোহাম্মদ বাশার, সাজেদ মাদবর, আলেয়া বেগম, কাজী ফুয়াদ হাসান, কাজী ফরিদ হাসান, জাভেদ এ মতিন, জাহেদ কামাল, হুমায়ূন কবির ও তানভীর নিজাম।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা নিজেদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিও হিসাবসমূহে (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স অ্যাকাউন্ট) অসাধু, অনৈতিক ও অবৈধ উপায়ে ফটকা ব্যবসার মতো ধারাবাহিক লেনদেন, প্রতারণামূলক সক্রিয় লেনদেন ও অনুমাননির্ভর লেনদেনের মাধ্যমে বাজারে কারসাজি করতেন। তাঁরা একটি সংঘবদ্ধ চক্র গঠন করে নির্দিষ্ট কিছু শেয়ারে ধারাবাহিকভাবে ক্রয়-বিক্রয়ের মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে দাম বৃদ্ধি করে প্রতারণার মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের সেই শেয়ারগুলোতে বিনিয়োগে প্রলুব্ধ করতেন। এর ফলে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ব্যাপকভাবে আর্থিক ক্ষতির শিকার হন এবং চক্রটি ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার ৩০৪ টাকার বেশি আত্মসাৎ করে, যা অস্বাভাবিক মূলধন লাভ হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও প্রকৃতপক্ষে ছিল অপরাধলব্ধ অর্থ। এর মধ্যে মো. আবুল খায়ের হিরু শেয়ারবাজার থেকে তোলা অর্থ থেকে ২৯ কোটি ৯৪ লাখ ৪২ হাজার ১৮৫ টাকা তাঁর স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসানের সহায়তায় বিভিন্ন খাতে স্থানান্তরের মাধ্যমে ‘মানি লন্ডারিং’ করেন।

হিরুর নামে থাকা ১৭টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৫৪২ কোটি ৩১ লাখ ৫১ হাজার ৯৮২ টাকার ‘অস্বাভাবিক, অযৌক্তিক এবং সন্দেহজনক’ লেনদেন হওয়ার কথাও বলা হয়েছে মামলার এজাহারে। সেখানে বলা হয়েছে, হিরুর কারসাজি করা প্যারামাউন্ট ইনস্যুরেন্স লিমিটেড, ক্রিস্টাল ইনস্যুরেন্স লিমিটেড এবং সোনালী পেপারস লিমিটেডের শেয়ারে সাকিব আল হাসান বিনিয়োগ করেন।

এতে তিনি মার্কেট ম্যানিপুলেশনে সক্রিয়ভাবে যোগ দেন এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ওই কারসাজি করা শেয়ারে বিনিয়োগে প্রতারণার মাধ্যমে প্রলুব্ধ করে তাঁদের ২ কোটি ৯৫ লাখ ২ হাজার ৯১৫ টাকা রিয়ালাইজড ক্যাপিটাল গেইনের নামে অপরাধলব্ধ আয় হিসেবে শেয়ারবাজার থেকে উত্তোলনপূর্বক আত্মসাৎ করেন।

আদালতে হাজিরা দিতে আসা যুবককে অপহরণ, যুবদল নেতা বহিষ্কার

চাঁদপুরে অবৈধ দুই ইটভাটামালিককে ৭ লাখ টাকা জরিমানা

যশোরে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, নানা গ্রেপ্তার

সিরাজগঞ্জে মাছ ধরা নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় ৩ জন পুলিশ হেফাজতে

মাদক বিক্রির টাকা ভাগাভাগির দ্বন্দ্বে যুবককে গলা কেটে হত্যা, গ্রেপ্তার ৩

মাদ্রাসা থেকে পালানো ২ কিশোরকে উদ্ধার করল র‍্যাব

নাটোরে আ.লীগ-যুবলীগের ৩ নেতা কারাগারে

কবি নজরুলের নাম বাদ দিয়ে সিলেট অডিটরিয়ামের নতুন নাম

সীতাকুণ্ডে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, পরিবারের দাবি হত্যাকাণ্ড

সাঁথিয়ায় যুবককে বাড়ির সামনে থেকে তুলে নিয়ে পা ভেঙে দিলে দুর্বৃত্তরা