দূরপাল্লার শট—এমন শটে কতবারই তো গোলের দেখা পেয়েছেন ঋতুপর্ণা চাকমা। হতাশও হয়েছেন। তবে এবারের হতাশাটা সবচেয়ে বেশি। চীনের মতো বড় দলের বিপক্ষে খেলার সুযোগই মেলে কপালগুণে, সেখানে গোল পাওয়ার কথা কল্পনাও করা যায় না। ঋতুপর্ণাকে ফিরে যেতে হলো তাই খুব কাছ থেকে।
বাংলাদেশ আজ ২-০ গোলে হারলেও গোলের সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল ১৪ মিনিটে। পাল্টা আক্রমণে চীনের বুকে কাঁপন ধরিয়ে দেন ঋতুপর্ণা। গতিতে খুব সহজেই প্রতিপক্ষ অধিনায়ক উ হাইয়ানকে পরাস্ত করে ৩০ গজ দূর থেকে লব নেন তিনি। কিন্তু বাংলাদেশের পোস্টার গার্লের শট জালে যাওয়ার আগেই কর্নারের বিনিময়ে গোলের হাত থেকে চীনকে বাঁচান গোলরক্ষক চেন চেন।
বল জালে গেলে ক্যারিয়ারের সেরা গোল হিসেবে বেছে নিতেন ঋতুপর্ণা। তাঁর এমন সব গোলে ভর করেই এশিয়ান কাপে খেলছে বাংলাদেশ। ম্যাচ শেষে এই ফরোয়ার্ড বলেন, ‘আমি খুব নার্ভাস ছিলাম। আমরা ভাগ্যবান যে, চীনের মতো টিমের সঙ্গে খেলতে পেরে আমরা অনেক কিছু শিখতে পেরেছি। আমি আসলে খুব গর্বিত যে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে পেরেছি। ভেবেছিলাম এটা গোল হবে, যদি গোল হতো এটা আমার জীবনের সেরা গোল হিসেবে মেনে নিতাম। এখন বলতে পারছি না। তাদের থেকে আরও অনেক কিছু শেখার আছে আমাদের।’