হোম > খেলা > ক্রিকেট

রংপুরের কাছে এবার উড়ে গেল চট্টগ্রাম

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

৫ উইকেট নিয়ে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে গুটিয়ে দিয়েছেন ফাহিম আশরাফ। ছবি: ফেসবুক

এর চেয়ে দাপুটে শুরু আর কী হতে পারত রংপুর রাইডার্সের জন্য। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে আজ রংপুর রাইডার্সের কাছে ৯ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হেরেছে চট্টগ্রাম রয়্যালস। ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং—কোনো বিভাগেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেনি চট্টগ্রাম।

সিলেটে পরশু ১২তম বিপিএল শুরুর দিন নবাগত নোয়াখালী এক্সপ্রেসের বিপক্ষে ৬৫ রানের দাপুটে জয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করেছিল চট্টগ্রাম রয়্যালস। ‍+৩.২৫০ নেট রানরেট নিয়ে অনেকটা এগিয়ে থেকে আজ চট্টগ্রাম খেলতে নামে রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে। তবে রংপুরের বিধ্বংসী বোলিংয়ে ম্যাচ অর্ধেকটা হেরে বসে চট্টগ্রাম। ১০৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৩০ বল হাতে রেখে ৭ উইকেটে জিতেছে রংপুর। ‍+২.০৩৩ নেট রানরেট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে রংপুর। সমান ২ পয়েন্ট নিয়ে নেট রানরেটের কারণে পয়েন্ট টেবিলের দুইয়ে চট্টগ্রাম।

১০৩ রানের লক্ষ্যে নেমে অনেকটা রয়েসয়ে শুরু করে রংপুর। প্রথম ৮ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৪৭ রান করে ফেলে দলটি। এরপর থেকেই গিয়ার বদলানো শুরু করে রংপুর। নবম ওভারে মাহমুদুল হাসান জয়কে পিটিয়ে ২৪ রান নেন রংপুরের দুই ওপেনার লিটন দাস ও দাভিদ মালান। একটা সময় মনে হচ্ছিল লিটন-মালান ফিফটি করে রংপুরকে ১০ উইকেটের রেকর্ড জয় এনে দেবেন। কিন্তু মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ সেটা হতে দেননি। ১৩তম ওভারের প্রথম ও পঞ্চম বলে লিটন ও হৃদয়কে ফিরিয়েছেন মুগ্ধ। লিটন ৩১ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায় করেন ৪৭ রান। হৃদয় ১ রান করে আউট হয়েছেন।

লিটন না পারলেও মালান ফিফটি করেছেন। বিপিএল ক্যারিয়ারে এটা মালানের ৯ম ফিফটি। ৪৮ বলে ৫ চার ও ২ ছক্কায় তিনি করেছেন ৫১ রান। ১৫তম ওভারের দ্বিতীয় বলে মালানকে ফিরিয়েছেন জয়। একই ওভারের শেষ বলে জয়কে ছক্কা মেরে তুলির শেষ আঁচড় দিয়েছেন খুশদিল শাহ। ৩০ বল হাতে রেখে পাওয়া ৫ উইকেটের জয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন ফাহিম আশরাফ। ৩.৫ ওভারে ১৭ রানে নিয়েছেন ৫ উইকেট।

সিলেটে আজ টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন রংপুর রাইডার্সের অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান। আগে ব্যাটিং পাওয়া চট্টগ্রাম রয়্যালসের স্কোর হয়ে এক পর্যায়ে ছিল ৪.৪ ওভারে ১ উইকেটে ৪৫ রান। তবে পঞ্চম ওভারের পঞ্চম বলে নাঈম শেখকে বোল্ড করে চট্টগ্রামের ইনিংসে ভাঙনের সূচনা করেন মোস্তাফিজুর রহমান। ২০ বলে ৭ চার ও ১ ছক্কায় নাঈম করেন ৩৯ রান । ৫৭ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৭.৫ ওভারে ১০২ রানে গুটিয়ে যায় চট্টগ্রাম।

চট্টগ্রামের মিডল অর্ডার থেকে টেল এন্ডার দ্রুত গুটিয়ে দেওয়ার কাজটা সেরেছেন ফাহিম আশরাফ। মাহফিজুল ইসলাম, মাসুদ গুরবাজ, শেখ মেহেদী হাসান, আবু হায়দার রনি. শরীফুল ইসলাম—এই পাঁচ ব্যাটারকে ফিরিয়ে রেকর্ড বইয়ে নাম লিখিয়েছেন ফাহিম আশরাফ। ২ উইকেট নিয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান। একটি করে উইকেট পেয়েছেন আলিস আল ইসলাম, সুফিয়ান মুকিম ও নাহিদ রানা। তাসকিন আহমেদ, থিসারা পেরেরা, ফাহিম—বিপিএল ইতিহাসে এই তিন বোলার ইনিংসে একাধিকবার ৫ উইকেট নিয়েছেন ফাহিম।

৯ উইকেট নিয়ে কাউন্টিতে হাসানের ‘বিশ্বমানের’ পারফরম্যান্স

পুরস্কারের গাড়ি মাকে উপহার দিলেন হৃদয়

‘অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জয় বাংলাদেশের জন্য বিশাল অর্জন’

অস্ট্রেলিয়াকে কাঁপিয়ে ছাড়ল বাংলাদেশ

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের শুভসূচনা

অস্ট্রেলিয়াকে ধবলধোলাইয়ের আরও কাছে বাংলাদেশ, হৃদয়ের আক্ষেপ

বাদ মিরাজ, অধিনায়ক শান্ত

জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করতে চায় বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জিতে ২ কোটি টাকা বোনাস পেল বাংলাদেশ

কাউন্টি অভিষেক কেমন হলো হাসান মাহমুদের