হোম > খেলা > ক্রিকেট

রেকর্ড ভাঙা-গড়ার খেলায় মেতেছেন সূর্যবংশী

ক্রীড়া ডেস্ক    

ব্যাট হাতে গতকাল তাণ্ডব চালিয়েছেন বৈভব সূর্যবংশী। ছবি: আইপিএল

ক্রিস গেইল, ডেভিড ওয়ার্নার কিংবা সুরেশ রায়না—টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের একেকজন ধ্রুবতারা। আইপিএলের আঙিনায় বছরের পর বছর ধরে রাজত্ব করেছেন তাঁরা। তবে চলতি আইপিএলে এক কিশোর ব্যাটারের ব্যাটে যেভাবে এসব মহাতারকার কীর্তি ধুলোয় মিশে গেছে, তা ক্রিকেট বিশ্ব এর আগে কখনো দেখেনি। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে গতকাল এলিমিনেটরের ম্যাচে বিধ্বংসী এক ইনিংস খেলে পরিসংখ্যানের পাতা নতুন করে লিখতে বাধ্য করেছেন বৈভব সূর্যবংশী।

চলতি মৌসুমে ১৫ ইনিংসে সূর্যবংশীর মোট রান ৬৮০। তবে রান সংখ্যার চেয়েও ক্রিকেট দুনিয়াকে বেশি তাক লাগিয়ে দিয়েছে তার স্ট্রাইক রেট (২৪২.৮৫)। টি-টোয়েন্টি ইতিহাসের প্রথম ব্যাটার হিসেবে কোনো টুর্নামেন্টে ২০০-এর বেশি স্ট্রাইক রেট বজায় রেখে ৬০০-এর বেশি রান করার অনন্য কীর্তি গড়লেন তিনি। এর আগে ২০২২ সালের টি-টোয়েন্টি ব্লাস্টে ১৯২.২৮ স্ট্রাইক রেটে ৬২৩ রান করে এত দিন এই তালিকার শীর্ষে ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার রাইলি রুশো।

ছক্কার প্রদর্শনীতেও সূর্যবংশী ছাড়িয়ে গেছেন সবাইকে। এবারের আইপিএলে তিনি মোট ৬৫টি ছক্কা হাঁকিয়েছেন। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে যেকোনো টুর্নামেন্টে এটিই কোনো ব্যাটারের সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড। ২০১২ আইপিএলে ৪৫৬ বল খেলে ৫৯টি ছক্কা মেরে আগের রেকর্ডটি গড়েছিলেন ‘ইউনিভার্স বস’ ক্রিস গেইল। আর সূর্যবংশী গেইলের সেই রেকর্ড ভেঙে ৬৫টি ছক্কা মারলেন মাত্র ২৬৬ বলে!

হায়দরাবাদের বিপক্ষে এলিমিনেটর ম্যাচে সূর্যবংশী ২৯ বলে ৫ চার ও ১২ ছক্কায় খেলেন ৯৭ রানের ইনিংস, যেখানে তার স্ট্রাইক রেট ছিল ৩৩৪.৪৮। আইপিএলের ইতিহাসে ৯০ বা তার বেশি রানের ইনিংসে এটিই সর্বোচ্চ স্ট্রাইক রেটের রেকর্ড। এই ম্যাচেই মাত্র ১৬ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি, যা আইপিএলের প্লে-অফ বা নকআউট পর্বের যৌথভাবে দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড। ২০১৪ সালে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের বিপক্ষে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে চেন্নাই সুপার কিংসের সুরেশ রায়নাও ১৬ বলে ফিফটি করেছিলেন।

সেই ইনিংসে সূর্যবংশী মোট ১২টি ছক্কা মারেন, যা আইপিএলের প্লে-অফ বা নকআউট ম্যাচে এখন সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড। ২০২৩ সালে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে শুভমান গিলের ১০ ছক্কার রেকর্ডটি টপকে যান তিনি। ইনিংসের প্রথম ১০টি ছক্কা মারতে সূর্যবংশী খেলেছেন মাত্র ২৪ বল। ২০১৩ সালে পুনে ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে অপরাজিত ১৭৫ রানের সেই বিখ্যাত ইনিংসে প্রথম ১০টি ছক্কা মারতে গেইল খেলেছিলেন ২৭ বল।

১২টি ছক্কার মধ্যে ৮টিই এসেছে প্রথম পাওয়ারপ্লেতে, যা আইপিএলের ইতিহাসে পাওয়ারপ্লেতে সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড। চলতি মৌসুমে পাওয়ারপ্লের প্রথম ৬ ওভারেই সূর্যবংশী রান তুলেছেন ৪৯০। এর মধ্য দিয়ে ২০১৬ সালের আইপিএলে পাওয়ারপ্লেতে ডেভিড ওয়ার্নারের করা ৪৬৭ রানের রেকর্ডটি ভাঙলেন এই কিশোর। সেই সঙ্গে আইপিএলের ইতিহাসে ৩০০-এর বেশি স্ট্রাইকরেটে ৩ বার পঞ্চাশোর্ধ রানের ইনিংস খেলার অনন্য কীর্তিও এখন তাঁর দখলে।

৯ উইকেট নিয়ে কাউন্টিতে হাসানের ‘বিশ্বমানের’ পারফরম্যান্স

পুরস্কারের গাড়ি মাকে উপহার দিলেন হৃদয়

‘অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জয় বাংলাদেশের জন্য বিশাল অর্জন’

অস্ট্রেলিয়াকে কাঁপিয়ে ছাড়ল বাংলাদেশ

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের শুভসূচনা

অস্ট্রেলিয়াকে ধবলধোলাইয়ের আরও কাছে বাংলাদেশ, হৃদয়ের আক্ষেপ

বাদ মিরাজ, অধিনায়ক শান্ত

জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করতে চায় বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জিতে ২ কোটি টাকা বোনাস পেল বাংলাদেশ

কাউন্টি অভিষেক কেমন হলো হাসান মাহমুদের