সেঞ্চুরি করার পর নাজমুল হোসেন শান্তর চুমু উদযাপন পরিচিত দৃশ্য হয়ে গেছে। মিরপুরে আজ শুরু হওয়া পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথম দিনই তিন অঙ্ক ছুঁয়েছেন। এবারও চুমু উদযাপন করেছেন।
শান্তর চুমু উদযাপন নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই কৌতূহল দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের। চুমুটা আসলে কাকে দেন? গত বছরের ডিসেম্বরে আজকের পত্রিকাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শান্ত তাঁর চুমুর গল্প বলেছিলেন। এ ব্যাপারে তখন তিনি বলেছিলেন, ‘প্রথম আমার মনে হয় যখন ওয়ানডে সেঞ্চুরি করেছিলাম, তখন এটা (চুমু উদযাপন) করেছিলাম। আপনাআপনি এটা হয়ে গিয়েছিল। ড্রেসিংরুমে যাঁরা ছিলেন প্রত্যেক ক্রিকেটার, কোচিং স্টাফ, সবাই আমাকে সাহায্য করেছিলেন। ড্রেসিংরুমের উদ্দেশ্যেই করা। আলাদা কোনো পরিকল্পনা করে করা ছিল না।’
ফিফটিকে কীভাবে সেঞ্চুরিতে পরিণত করতে হয়, সেটা নাজমুল হোসেন শান্ত ভালো করেই জানেন। বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের বেশির ভাগ সময় নার্ভাস নাইনটিতে কাটা পড়লেও শান্ত ব্যতিক্রম। টেস্টে তাঁর ফিফটির চেয়ে সেঞ্চুরির সংখ্যাই বেশি।
মিরপুরে আজ টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পাকিস্তান অধিনায়ক শান মাসুদ। যখন শান্ত ব্যাটিংয়ে নেমেছেন, তখন বাংলাদেশের স্কোর ১০.১ ওভারে ২ উইকেটে ৩১ রান। মুমিনুল হকের সঙ্গে মিলে ধীরেসুস্থে এগিয়েছেন শান্ত। ভালো বলকে সমীহ করেছেন। বাজে বল পেয়ে সেটাকে বাউন্ডারিতে পরিণত করেছেন দুজনই (শান্ত-মুমিনুল)। ১২৯ বলে টেস্ট ক্যারিয়ারের নবম সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন। ৫৩তম ওভারের প্রথম বলে মোহাম্মদ আব্বাসকে কাভার দিয়ে চার মেরে তিন অঙ্ক ছোঁয়ার পর হেলমেট খুলে শূন্যে উড়েছেন শান্ত। বাংলাদেশের বাঁহাতি ব্যাটার এরপর করেছেন তাঁর সেই চিরচেনা চুমু উদযাপন।
সেঞ্চুরি পূর্ণ করার ঠিক পরের বলেই আউট হয়েছেন শান্ত। ৫৩তম ওভারের দ্বিতীয় বলে তাঁকে এলবিডব্লুর ফাঁদে ফেলেন আব্বাস। ১৩০ বলে ১২ চার ও ২ ছক্কায় ১০১ রান করেছেন শান্ত।পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন সংস্করণ মিলে এটা তাঁর প্রথম সেঞ্চুরি।