হোম > খেলা > ক্রিকেট

রানার বল মাথায় লাগলেও ভয় পাননি পাকিস্তানি ক্রিকেটার

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

টেস্ট অভিষেকে সেঞ্চুরি পেয়েছেন আজান আওয়াইস। ছবি: ক্রিকইনফো

বয়স মাত্র ২১ বছর। তবে ক্যারিয়ারের অভিষেক টেস্টেই আজান আওয়াইস যা দেখালেন, তাতে পাকিস্তানি ক্রিকেটার বেশ পরিপক্কতার পরিচয় দিয়েছেন। নাহিদ রানার বাউন্সারে আঘাত পেয়েছিলেন। কিন্তু তাতে মোটেও দমে যাননি আওয়াইস।

ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার গতির পাশাপাশি বাউন্সারে ব্যাটারদের ভড়কে দিতে ওস্তাদ রানা। আজ বাংলাদেশের গতিতারকার সেরকমই গতিশীল এক বাউন্সার আঘাত হানে আওয়াইসের মাথায়। সেই পরিস্থিতিতে কী মনে হচ্ছিল—আজ তৃতীয় দিন শেষে সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের এই বাঁহাতি ব্যাটার বলেন, ‘আমি আসলে ভয় পাইনি। বল যখন আমার হেলমেটে লাগে, তখন প্রায় ৫ মিনিটের মতো একটু ঘোরের মধ্যে ছিলাম। তবে তারপর নিজেকে সামলে নেই এবং বুঝতে পারি যে এখনই সময় ভালো কিছু করার এবং নিজের সামর্থ্য প্রমাণের।’

রানার বাউন্সারে আঘাত পাওয়া আওয়াইস টেস্টের অভিষেক ইনিংসেই সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন। তিন অঙ্ক পেয়েছেন বাংলাদেশের গতিতারকার বলে। ৫১তম ওভারের পঞ্চম বলে মিড অনে ঠেলে ১৫৩ বলে তুলে নিয়েছেন প্রথম সেঞ্চুরি। তিন অঙ্ক ছোয়ার পর দৌড়ে উদযাপন করেছেন। তাঁর চোখে মুখে দেখা গেছে উচ্ছ্বাস। সেঞ্চুরি করার পর হেলমেটটা খুলে দর্শকদের অভিনন্দনের জবাব দিয়েছেন। উদযাপন প্রসঙ্গে পাকিস্তানি বাঁহাতি ব্যাটার বলেন, ‘আমি সাধারণত অনেক শান্ত স্বভাবের ছেলে। তবে আজকের উদযাপনটি পরিস্থিতির কারণে স্বাভাবিকভাবেই চলে এসেছে। দিন শেষে এটা আমার জন্য অনেক আনন্দের একটি মুহূর্ত। আমার পরিবারের সবাই অনেক খুশি। কারণ, তারা সারা বছরই আমাকে অনেক সাপোর্ট করেছেন।’

বাংলাদেশ সিরিজ দিয়েই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পথচলা শুরু আওয়াইসের। টেস্ট দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করতে পেরে আজন্মলালিত স্বপ্নপূরণ হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। তৃতীয় দিন শেষে সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানি বাঁহাতি ব্যাটার বলেন, ‘গত দেড়-দুই বছরে আমি ৩৩টির মতো প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে খেলেছি। সেখানে আলহামদুলিল্লাহ ভালো করেছি। টেস্ট খেলা আমার দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন ছিল। যখন আমি ক্যাম্পিং করছিলাম, তখন কোচরা আমাকে সুযোগ দেন এবং নিজের লক্ষ্যে পৌঁছাতে সক্ষম হই।’

ইমাম উল হকের সঙ্গে ১০৬ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়তে অবদান রেখেছেন আওয়াইস। দ্বিতীয় উইকেটে আব্দুল্লাহ ফজলের সঙ্গে আরও একটি ১০৪ রানের জুটি গড়েন আওয়াইস। ফজলেরও এই টেস্ট দিয়ে অভিষেক হয়েছে। এই দুই জুটিই মূলত পাকিস্তানের স্কোর ৩৮৬ পর্যন্ত যেতে অবদান রেখেছে। ২৭ রানের লিডের পাশাপাশি দ্বিতীয় ইনিংসে ১.৫ ওভারে বিনা উইকেটে ৭ রান করেছে বাংলাদেশ। তৃতীয় দিন শেষে লিডসহ স্বাগতিকদের স্কোর ৩৪ রান।

৯ উইকেট নিয়ে কাউন্টিতে হাসানের ‘বিশ্বমানের’ পারফরম্যান্স

পুরস্কারের গাড়ি মাকে উপহার দিলেন হৃদয়

‘অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জয় বাংলাদেশের জন্য বিশাল অর্জন’

অস্ট্রেলিয়াকে কাঁপিয়ে ছাড়ল বাংলাদেশ

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের শুভসূচনা

অস্ট্রেলিয়াকে ধবলধোলাইয়ের আরও কাছে বাংলাদেশ, হৃদয়ের আক্ষেপ

বাদ মিরাজ, অধিনায়ক শান্ত

জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করতে চায় বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জিতে ২ কোটি টাকা বোনাস পেল বাংলাদেশ

কাউন্টি অভিষেক কেমন হলো হাসান মাহমুদের