টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটে এক সঞ্জু স্যামসনের কাছেই হেরে গেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তাঁর অপরাজিত ৯৭ রানের ইনিংসে জয় নিশ্চিত হয় ভারতের। ম্যাচজয়ী ইনিংস খেলা স্যামসনের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন পাকিস্তানের সাবেক দুই ক্রিকেটার মোহাম্মদ হাফিজ ও বাসিত আলী।
স্যামসনের ৫০ বলের ইনিংসটি সাজানো ১২ ও ৪ ছক্কায়। ২৬ বলে ফিফটির পর সেঞ্চুরির সুযোগ ছিল তাঁর সামনে। কিন্তু সে পথে না হেঁটে পরিস্থিতি ও চাপ সামলে শেষ পর্যন্ত দলের জয় নিশ্চিত করেই মাঠ ছেড়েছেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। সুযোগ থাকার পরও সেঞ্চুরির চেষ্টা না করে দলের চিন্তা করায় স্যামসনের মানসিকতায় মুগ্ধ হাফিজ।
ট্যাপমেডে হাফিজ বলেন, ‘স্যামসন ব্যক্তিগত মাইলফলকের জন্য খেলেনি। সেঞ্চুরি করাই সব কিছু—এমন চিন্তা সে করেনি। তাঁর কাছে দলের জয়ের প্রাধান্যই বেশি ছিল। স্যামসন প্রথমে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেছে। এরপর কোনো বার্তা বা নিজের সিদ্ধান্তে হাল ধরেছিল। এরপর সে তার ধরনই বদলে ফেলে এবং পরিস্থিতির সঙ্গে নিজের খেলাকে মানিয়ে নেয়। সে যেভাবে ব্যাট করেছে, কখনোই তার মধ্যে রান করার কিংবা ব্যক্তিগত মাইলফলক ছোঁয়ার লোভ দেখা যায়নি। কারণ, একজন খেলোয়াড়ের জন্য সবচেয়ে বড় অর্জন হলো দেশের জন্য ম্যাচ জেতা।’
বাসিত আলী তো স্যামসনের এই ইনিংসে কোহলির ছায়াই খুঁজে পেয়েছে। নিজের ইউটিউব চ্যানেলে বাসিত বলেন, ‘স্যামসনের ব্যাটিংয়ে কিছুটা কোহলির ছায়া দেখতে পাওয়া যায়…বোলারভেদে কীভাবে রান করতে হয়, তার পেশিশক্তিও আছে। স্যামসনকে একটা পরিষ্কার পরিকল্পনা দেওয়া হয়েছিল (ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে)। সে পাওয়ার প্লেতেও সবচেয়ে বেশি রান করেছে। যেভাবে ব্যাটিং করছিল, আমি ভাবছিলাম, এই ছেলেটা তো দাবার মাস্টার। সাধারণত কোহলির ক্ষেত্রে এই কথা বলা হয়। কিন্তু কোহলি তো ছিলই না।’