হোম > রাজনীতি

সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনে প্রয়োজনীয় দায়িত্ব পালনে সরকার ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

নাহিদ ইসলাম।

গণভোটে উঠে আসা জনগণের মতামতের ভিত্তিতে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় দায়িত্ব পালনে সরকার এখন পর্যন্ত ব্যর্থ বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সম্মানে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে তিনি এ কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, জনগণের অভ্যুত্থান থেকে জন্ম নেওয়া এনসিপি এখন জবাবদিহি, সংস্কার ও ন্যায়বিচারপ্রত্যাশী নাগরিকদের আশা বুকে নিয়ে জাতীয় সংসদে প্রবেশ করছে। এই অভ্যুত্থান, অন্তর্বর্তী সরকার, সংস্কারপ্রক্রিয়া, বিচারিক পদক্ষেপ ও নির্বাচন—সবই জুলাইয়ের উত্তরাধিকার, যা গত এক বছরে দেশের রাজনৈতিক পথচলাকে প্রভাবিত করে চলেছে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, এনসিপি ধারাবাহিকভাবে গণতন্ত্র ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের পক্ষে সোচ্চার থেকেছে। জুলাইয়ের নৃশংসতা ও জোরপূর্বক গুমের ঘটনাগুলোর বিচার দাবিতে দলটি আপসহীন অবস্থান নিয়েছে। একই সঙ্গে সার্বভৌম পররাষ্ট্রনীতি, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে।

কূটনীতিকদের নাহিদ ইসলাম জানান, প্রথম জাতীয় নির্বাচনে এনসিপি একটি জোটের অংশ হিসেবে নির্ধারিত আসনগুলোতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে এবং একই সঙ্গে একটি স্বতন্ত্র নির্বাচনী ইশতেহার উপস্থাপন করেছে। এতে দলটি ছয়টি আসনে বিজয়ী হয়েছে এবং জাতীয় ভোটের প্রায় ৩ শতাংশ পেয়েছে।

নাহিদ ইসলামের ভাষ্য, একটি যুব আন্দোলন থেকে উদীয়মান রাজনৈতিক শক্তিতে রূপান্তরের ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত বহন করে।

এনসিপির এ নেতা বলেন, এই অর্জন সত্ত্বেও নির্বাচনের ফলাফল এখনো প্রতিষ্ঠিত ক্ষমতাকাঠামোর শক্ত অবস্থানকেই প্রতিফলিত করে। ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া মোটামুটি বিশ্বাসযোগ্য হলেও কয়েকটি আসনে অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।

এ সময় এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, গণভোটে জনগণের যে মতামত প্রকাশ পেয়েছিল, তার ভিত্তিতে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া সরকারের দায়িত্ব ছিল; কিন্তু এখনো সেই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা হয়নি।

ইফতার মাহফিলে বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার কূটনীতিকেরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ রমাদান, সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেংলি, যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারা কুক ও পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার।

এ ছাড়া ছিলেন দৃকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও আলোকচিত্রী শহিদুল আলম, সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার, সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন, আইনজীবী আবু হেনা রাজ্জাকী, প্রথম আলোর নির্বাহী সম্পাদক সাজ্জাদ শরিফ প্রমুখ।

ক্ষমা চাইলেন হাসনাত আবদুল্লাহ

সরকার আদালতের ঘাড়ে বন্দুক রেখে জনগণের রায়কে হত্যার চেষ্টা করছে: গোলাম পরওয়ার

পল কাপুরের সঙ্গে বিএনপির প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি পর্যালোচনা করবে জামায়াত, পল কাপুরের সঙ্গে সাক্ষাৎ

নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের রাজসাক্ষী সাবেক উপদেষ্টা রিজওয়ানা—দাবি জামায়াতের

শোকজের পর হামিমকে ছাত্রদল থেকে অব্যাহতি

আসিফের ব্যাংকে আছে ১০ লাখ, বাবার ব্যাংকে আছে সাড়ে ৫ লাখ

এবার পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নামব: নাহিদ ইসলাম

এনসিপি থেকে বহিষ্কৃত সেই তানভীরের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা উঠে গেছে

ব্যাংক হিসাব তলব, মুখ খুললেন আসিফ মাহমুদ