হোম > জাতীয়

আনিসুল-সালমানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিল ১৭ বছরের কিশোর

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

আনিসুল হক ও সালমান এফ রহমান। ফাইল ছবি

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় সারা দেশে চালানো হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হকের বিরুদ্ধে সাক্ষী দিয়েছে আন্দোলনে গুলিতে আহত ১৭ বছরের কিশোর আদহাম বিন আমিন। আজ মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ তার জবানবন্দি নেওয়া হয়।

গত বছরের ৪ ডিসেম্বর এই মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন। আর গত ১২ জানুয়ারি তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল। পরে গত ১০ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বিচার কার্যক্রম। সালমান এফ রহমান ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা এবং আনিসুল হক তাঁর সময়ের আইনমন্ত্রী।

আদহাম বিন আমিন তার জবানবন্দিতে জানায়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বর এলাকায় সে আন্দোলনে অংশ নেয়। ওই সময় তাদের অপর পাশে পুলিশ, বিজিবি ও আওয়ামী লীগের লোকজন সশস্ত্র অবস্থায় ছিল। তারা শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে দফায় দফায় হামলা চালায়। হেলিকপ্টার থেকে গুলিবর্ষণ করে। বিকেল ৫টার দিকে আদহাম দেখতে পায়—আওয়ামী লীগের স্থানীয় এমপি নিখিল, বন্দুক আয়নাল, কচি ও সাচ্চুর হাতে অস্ত্র ছিল। এ সময় একটি গুলি তার বাম পায়ের হাঁটুর নিচ দিয়ে ঢুকে বের হয়ে ডান পায়ের হাঁটুর নিচ দিয়ে ঢুকে মাংস নিয়ে বের হয়ে যায়।

আদহাম আরও জানায়, আহত হওয়ার পর আন্দোলনকারীরা তাকে নিকটস্থ আল-হেলাল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে পায়ে ব্যান্ডেজ করে পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয় তাকে। সেখান থেকে পাঠানো হয় জাতীয় হৃদ্‌রোগ হাসপাতালে। সেখান থেকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে। সেখানেই ভর্তি থাকে ওই বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। বর্তমানে সিএমএইচে তার চিকিৎসা চলছে। এখনো দাঁড়াতে পারে না, স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারে না সে।

আদহাম জানায়, সে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে জানতে পারে—তৎকালীন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান পরস্পর ফোনালাপে কারফিউ দিয়ে সবগুলোকে মেরে শেষ করে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন। তাঁদের সঙ্গে শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান, ওবায়দুল কাদেরসহ অনেকে জড়িত ছিলেন। তাঁরা আন্দোলন দমনে হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন। এ বছর সে এসএসসি পরীক্ষার্থী। অথচ ঠিকমতো পড়তে পারে না সে। তার স্বপ্ন ছিল সেনা কর্মকর্তা হওয়ার। তাকে গুলি করে যারা পঙ্গু বানিয়েছে, তাদের বিচার চায় আদহাম।

আদহাম আরও জানায়, এই মামলায় সাক্ষী হওয়ায় গত ২৬ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় আওয়ামী লীগের লোকজন তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর করে। পরে মিরপুর মডেল থানায় সে অভিযোগ করেছে।

ভিসার মেয়াদোত্তীর্ণ ও সংকটাপন্ন যাত্রীদের অগ্রাধিকার দিতে নির্দেশ বিমান-পর্যটনমন্ত্রীর

দুদিনের সফরে ঢাকায় মার্কিন সহকারী মন্ত্রী পল কাপুর

চুক্তিতে চার সচিব নিয়োগ দিল সরকার

ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে ৫ প্রার্থীর আবেদন

প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব হলেন আশরোফা

বগুড়া নয়, ১০ মার্চ কড়াইল বস্তিতে ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ইউএস-বাংলার সাহসী পদক্ষেপে দুবাই থেকে উদ্ধার ৩৯ পাইলট ও ক্রু

ভিআইপি প্রটোকল ছাড়া চলাচলে যানবাহনের গতি বেড়েছে

মধ্যপ্রাচ্যের ৬ গন্তব্যে বিমানের ফ্লাইট অনির্দিষ্টকাল স্থগিত

ট্রেন ও মেট্রো ভাড়ায় ২৫ শতাংশ ছাড় পাবেন প্রতিবন্ধী, প্রবীণ ও শিক্ষার্থী