হোম > জাতীয়

অধিকাংশ বিল পর্যালোচনার জন্য এক দিনও সময় দেওয়া হচ্ছে না: বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

শফিকুর রহমান। ছবি: ভিডিও থেকে

জাতীয় সংসদে বিল উত্থাপনের আগে বিবেচনার জন্য সর্বনিম্ন এক দিন আগে দাবি দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে তা ঘটছে না বলে জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। আজ শুক্রবার সংসদে চলমান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের (২০২৫-২৬) অর্থবছর বিল, ২০২৬ পাসের পরে পয়েন্ট অব অর্ডারে বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘আমরা কার্য উপদেষ্টার দ্বিতীয় বৈঠকে অনুরোধ করেছিলাম—সবগুলো অধ্যাদেশ এখানে আসবে। এমনিতে তিন দিন আগে আমাদের বিলগুলো দেওয়ার কথা। সমস্যা-বাস্তবতা সবগুলো বিবেচনা করে বলা হয়েছিল, সর্বনিম্ন এক দিন আগে বিলগুলো দেওয়া হবে। অধিকাংশ বিল উত্থাপনের আগে সংসদ সদস্যদের টেবিলে দেওয়া হচ্ছে।’

শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমি তো অর্থনীতির ছাত্র না। একদিকে সংসদ চলছে। আরেক দিকে বিলগুলো আমাদের এখানে রেখে দেওয়া হয়েছে। যেহেতু দুর্বল ছাত্র এ জন্য কিছুই বুঝতে পারি নাই। এখন ওপরে হাত তুলব, না নিচে নামাব—এটাও বুঝতে পারি নাই। এখন যদি সংসদ সদস্য হিসেবে কিছু না বুঝে “হ্যাঁ” বলি, তা হবে অপরাধ। যদি না বুঝে “না”ও বলি, এটাও হবে অপরাধ। এই জন্য আমরা চুপ থেকেছি।’

সরকারি দলের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘সরকারি দলের সম্মানিত সদস্যরা হয়তো সবাই অর্থনীতির ছাত্র এবং খুবই স্মার্ট। খুবই মেধাবী ছাত্র ছিলেন। যার কারণে কাগজ দেখামাত্র ভেতরে কী আছে, তাঁরা হয়তো এটা বুঝে ফেলেছেন। আমরা বুঝতে পারি নাই। এটা আমাদের অক্ষমতা। এখন আমরা কী করব? আমাদেরকে একটু পরামর্শ দেন।’

পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে ফ্লোর দেন স্পিকার। তিনি বলেন, ‘সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটি সবকিছু নির্ধারণ করেছে। আইনগুলো পর্যালোচনার জন্য বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। সেখানে বিরোধী দলের বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্য, আইনমন্ত্রীসহ সবাই আলোচনা-পর্যালোচনা করে সর্বসম্মতিক্রমে পাস করার জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। তার মধ্যে অর্থবিলটাও ছিল।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘কিছু বিলে বিরোধী দলের আপত্তি ছিল। তারা আলোচনার দাবি করেছিল। আপনি (স্পিকার) তাদের আলোচনার সুযোগ করে দিয়েছেন। এখন যদি এ পর্যায়ে বিল পাস হয়ে যাওয়ার পরে যদি বলে, আমি কিছু বুঝিলাম না, এটা তো দুঃখজনক। আপত্তি থাকলে বিলটি উত্থাপনের সময় দিতে পারত।’

বিল পাসের জন্য বিরোধী দল সহযোগিতা করেছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা “হ্যাঁ”ও বুঝে দিয়েছেন, “না”ও বুঝে দিয়েছেন। অপরিসীম সহযোগিতার জন্য সরকারি দলের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাই।’

পরে ফ্লোর নেন জামায়াতের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, ‘বিশেষ কমিটিতে এটা আলোচনা হয় নাই, যখন সংসদ চলবে তখন টেবিলে টেবিলে বিলগুলো হাজির করা হবে। এটা তিন দিন আগেই দেওয়ার কথা ছিল। বিশেষ কমিটিতে আলোচনা হয়েছিল ১৩৩টি অধ্যাদেশই সংসদে উঠবে। এটাও বলা হয়েছিল, নোট অব ডিসেন্ট দেওয়া বিলগুলো ছাড়াও অন্য বিলগুলো আমরা সংসদে কথা বলতে পারব। কথা বলা আমাদের অধিকার।’

পরে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামানকে ফ্লোর দেওয়া হয়। তিনি বলেন, ‘মাননীয় সংসদ সদস্য বলেছেন সবগুলো বিল উত্থাপন করার কথা ছিল; এটা ঠিক না। এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত ছিল বলে আমার মনে হচ্ছে না।’

চুক্তির দ্বারপ্রান্তে ইরান–যুক্তরাষ্ট্র, স্বাগত জানাল বাংলাদেশ

কলম্বো হয়ে ঢাকায় ফিরলেন উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান, কথা বললেন না

ক্ষুব্ধ হয়ে দেশের পথে জাহেদ উর রহমান, কী ঘটেছিল দিল্লি বিমানবন্দরে

সম্মেলনে যোগ দিতে দিল্লিতে গিয়ে বিমানবন্দর থেকেই ফিরলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

গুম প্রতিরোধ আইনের খসড়া: তদন্তের ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ

গুম-খুনের শিকার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল রানা-স্বপ্নার জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ

সংসদীয় স্থায়ী কমিটি: আইন মন্ত্রণালয়ের সভাপতি পার্থ, অর্থে মুশফিকুর রহমান

স্থায়ী পাবলিক পরীক্ষাকেন্দ্র স্থাপন সরকারের বিবেচনায়: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী

বিআরটি নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত শুনলেন প্রধানমন্ত্রী, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি