হোম > জাতীয়

ভোটের কালি নখ থেকে মোচনের আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি: প্রধানমন্ত্রী

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ইমাম, মুয়াজ্জিনসহ ধর্মীয় নেতাদের সরকারি সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: পিএমও

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, নির্বাচনের আগে জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন তাঁর সরকার শুরু করেছে।

তারেক রহমান বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচনের আগে আমরা জনগণের কাছে সেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। জনগণের রায়ে বিএনপি সরকার গঠনের পর...ভোটের কালি নখ থেকে মোচনের আগেই আমরা আমাদের সকল প্রতিশ্রুতি ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি।’

আজ শনিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং বিভিন্ন ধর্মের ধর্মীয় নেতাদের সরকারি সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া নারীদের জন্য আমরা ইতিমধ্যে “ফ্যামিলি কার্ড” চালু করেছি। পর্যায়ক্রমিকভাবে এই কার্ড সারা দেশে সবাই পাবেন। আগামী ১৪ এপ্রিল তথা পয়লা বৈশাখ থেকে চালু হচ্ছে “ফারমার্স কার্ড” বা “কৃষক কার্ড”। ১৬ মার্চ দিনাজপুর থেকে শুরু হচ্ছে খাল খনন কর্মসূচি। আজ থেকে চালু হলো খতিব-ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং অন্য ধর্মের ধর্মীয় গুরুদের জন্য আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি। যাদের প্রয়োজন সারা দেশে তাদের প্রত্যেককে পর্যায়ক্রমিকভাবে এই সহায়তা দেওয়া হবে।’

দেশকে শক্তিশালী ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করা হবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের প্রতিটি নাগরিকের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার মাধ্যমে আমরা আমাদের দেশকে এমন একটি শক্তিশালী ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করতে চাই, যাতে করে আর কোনো ফ্যাসিবাদ কিংবা তাঁবেদার অপশক্তি মানুষের স্বাধীনতা কেড়ে নিতে না পারে। আমি বারবার একটি কথা বলি, নাগরিকদের দুর্বল রেখে রাষ্ট্র কখনো শক্তিশালী হতে পারে না।’

ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষ তথা প্রত্যেক নাগরিকের আর্থিক সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকার রাষ্ট্রীয় সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নাগরিক হিসেবে আমরা যদি যে যার অবস্থান থেকে রাষ্ট্র এবং সমাজের প্রতি যার যার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করি...আমি আশা করি, আগামী ১০ বছরের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিকভাবে আমরা একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ দেখতে পারব ইনশা আল্লাহ।’

প্রতিটি জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বৈঠকে একজন ইমাম-খতিব বা ধর্মীয় প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কেউ যেন আমাদের মধ্যে বিভেদ-বিরোধ সৃষ্টি করতে না পারে। মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ কিংবা খ্রিষ্টান, বিশ্বাসী-অবিশ্বাসী কিংবা সংশয়বাদী আমরা সবাই মিলে ভালো থাকব। সকলের জন্য গড়ে তুলব একটি নিরাপদ রাষ্ট্র এবং সমাজ।’

চুক্তির দ্বারপ্রান্তে ইরান–যুক্তরাষ্ট্র, স্বাগত জানাল বাংলাদেশ

কলম্বো হয়ে ঢাকায় ফিরলেন উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান, মুখ খুললেন না

ক্ষুব্ধ হয়ে দেশের পথে জাহেদ উর রহমান, কী ঘটেছিল দিল্লি বিমানবন্দরে

সম্মেলনে যোগ দিতে দিল্লিতে গিয়ে বিমানবন্দর থেকেই ফিরলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

গুম প্রতিরোধ আইনের খসড়া: তদন্তের ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ

গুম-খুনের শিকার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল রানা-স্বপ্নার জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ

সংসদীয় স্থায়ী কমিটি: আইন মন্ত্রণালয়ের সভাপতি পার্থ, অর্থে মুশফিকুর রহমান

স্থায়ী পাবলিক পরীক্ষাকেন্দ্র স্থাপন সরকারের বিবেচনায়: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী

বিআরটি নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত শুনলেন প্রধানমন্ত্রী, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি