জেলা পরিষদ সংশোধন বিলের সংশোধনীতে সংবিধানের তিনটি ধারায় সুনির্দিষ্ট ব্যত্যয় ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর এমপি গাজী এনামুল হক। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১২তম দিন আজ বৃহস্পতিবার এই অভিযোগ করেন তিনি। এ সময় তিনি সংবিধানের ধারা ও এ-সংক্রান্ত একাধিক মামলার রায় তুলে ধরেন।
যশোর-৫ আসনের এই এমপি বলেন, ‘নির্বাচনী প্রতিনিধিদের বাদ দিয়ে প্রশাসক নিয়োগ অবৈধ। আজকে যে আপৎকালীন সময়ের কথা বলা হয়েছে, সেটা আমরা পার হয়ে এসেছি। ফ্যাসিস্টের পতনের পরে যে সরকার এসেছিল, তারা অধ্যাদেশ করেছিল। তারা সরকারি কর্মকর্তাদের সেখানে নিয়োগ দিয়েছিল। কিন্তু নির্বাচনের মাধ্যমে সংসদ গঠিত হওয়ার পরে স্থিতিশীল সময়ে সরকারি কর্মকর্তাদের বাদ দিয়ে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের এখানে বসানো হচ্ছে।’
এমপি গাজী এনামুল হক আরও বলেন, ‘বলা হচ্ছে, এটাকে ফেইলড ও বঞ্চিত লোকদের ক্লাবে (এফডিসি) পরিণত করা হচ্ছে। শাসকশ্রেণির পরাজিত ব্যক্তিদের বিভিন্ন জায়গায় আনা হচ্ছে। আমরা মনে করি, এখন স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্বাচনের উপযুক্ত সময়। নির্বাচন না করে প্রশাসক বসানোর এই বিল পাস হলে জনগণের সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘিত হবে।’
জবাবে মীর শাহে আলম বলেন, জুলাইয়ের রক্তক্ষয়ী বিপ্লবের পর দেশের জেলা পরিষদে বিনা ভোটে নির্বাচিত ব্যক্তিগত কর্মস্থলে অনুপস্থিত, পলাতক ও আত্মগোপনে থাকায় পরিষদের কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় অধ্যাদেশটি জারি করা হয়। ওই অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করতে এই বিল আনা হয়েছে।