হোম > জাতীয়

গায়েবি-মিথ্যা মামলা কমানো হয়েছে, দাবি আইনমন্ত্রীর

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

মো. আসাদুজ্জামান। ফাইল ছবি

দেশে গায়েবি ও মিথ্যা মামলা করার সংস্কৃতি অনেকটাই কমিয়ে আনা হয়েছে বলে দাবি করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেছেন, দেশে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও জোরপূর্বক গুম এখন প্রায় শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা হয়েছে এবং গায়েবি ও মিথ্যা মামলা করার সংস্কৃতিও অনেকাংশেই কমিয়ে আনা হয়েছে।

আজ বুধবার রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলএলএম লইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন (ডুলা) আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন আইনমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘বাংলাদেশে মানবাধিকার পরিস্থিতির সূচক বর্তমানে উন্নতির দিকে রয়েছে। বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও জোরপূর্বক গুম এখন প্রায় শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা হয়েছে। গায়েবি ও মিথ্যা মামলা করার সংস্কৃতি প্রায় কমিয়ে আনা হয়েছে। তবে পুরোপুরি বন্ধ করতে পেরেছি এটা বলব না। এই অবস্থানকে সামনের দিকে নিয়ে যেতে আইনজীবীদের সহযোগিতা প্রয়োজন।’

ডুলার সভাপতি শেখ আলী আহমেদ খোকনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ, সিনিয়র আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস কাজল। ডুলার সাধারণ সম্পাদক কাজী মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আইন বিভাগের ছেলে-মেয়েরা যদি এগিয়ে যায়, তাহলে আমি বিশ্বাস করি বাংলাদেশের যেকোনো অঙ্গনে, যেকোনো ক্রান্তিকালে অনন্য ভূমিকা পালন করবে। যেটা বিগত কয়েক দশক ধরে করে যাচ্ছেন। এর মধ্যে অনেকে নষ্টদের তালিকায় পড়ে যান, অনেকে দুর্নীতিগ্রস্ত হন। আমরা যদি সেখানে আত্মসমালোচনা না করি, আমরা যদি মনে করি আইন বিভাগ মানেই সবকিছু ঠিক; সেটাও আমাদের ভুল হবে।’

ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৩ (এ) ধারা প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, এই ধারা মানুষের অধিকার রক্ষার একটি কার্যকর সুরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে শত শত মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। এসব মানুষকে বছরের পর বছর পুলিশ রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করতে হলে তারা ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা, বিদেশ ভ্রমণ কিংবা চিকিৎসা গ্রহণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন। এ সমস্যা নিরসনে উচ্চতর পুলিশ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে অন্তর্বর্তীকালীন পুলিশ রিপোর্ট দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, ‘রাজনৈতিক দর্শন যাই হোক না কেন, দিনের শেষে আমাদের সবাইকে মনে রাখতে হবে—আমরা বাংলাদেশের মানুষের জন্য কাজ করছি। আমরা বিশ্বাস করি, এ দেশে আইনের শাসন, ন্যায়বিচার ও মানবাধিকার নাগরিকদের জন্য নিশ্চিত করা সম্ভব হবে, যদি আইন পেশায় নিয়োজিত ব্যক্তিরা নিজেদের মূল্যবোধের জায়গা থেকে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করেন।’

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হতে যাচ্ছে। আমরা গণতন্ত্রের মহাসড়কে ফিরতে চাচ্ছি। আমরা আগামী দিনে বাংলাদেশের মানুষের মানবাধিকার, ন্যায়বিচার, আইনের শাসন নিশ্চিত করার জন্য যে দায়িত্ব হাতে নিয়েছি আল্লাহ যেন আমাদের সেই দায়িত্ব পালনের তৌফিক দান করেন।’

ক্ষুব্ধ হয়ে দেশের পথে জাহেদ উর রহমান, কী ঘটেছিল দিল্লি বিমানবন্দরে

সম্মেলনে যোগ দিতে দিল্লিতে গিয়ে বিমানবন্দর থেকেই ফিরলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

গুম প্রতিরোধ আইনের খসড়া: তদন্তের ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ

গুম-খুনের শিকার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল রানা-স্বপ্নার জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ

সংসদীয় স্থায়ী কমিটি: আইন মন্ত্রণালয়ের সভাপতি পার্থ, অর্থে মুশফিকুর রহমান

স্থায়ী পাবলিক পরীক্ষাকেন্দ্র স্থাপন সরকারের বিবেচনায়: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী

বিআরটি নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত শুনলেন প্রধানমন্ত্রী, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি

হাসিনার করা চুক্তিই খুলে দিতে পারে বেনজীরকে ফেরানোর পথ

আবু সাঈদ হত্যা মামলার ৮০৯ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ