হোম > জাতীয়

চাচাকে ‘বাবা’ দেখিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি: সেই বিসিএস কর্মকর্তা কারাগারে

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

সিনিয়র সহকারী সচিব মো. কামাল হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

জালিয়াতির মাধ্যমে বাবার জায়গায় চাচার নাম বসিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি ও বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারে চাকরি নেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হওয়া সিনিয়র সহকারী সচিব মো. কামাল হোসেনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ বুধবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ আসামির জামিন বাতিল করে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

জামিনে থাকা কামাল আজ বুধবার শুনানির দিনে আদালতে হাজির হন। কিন্তু ‘শর্ত ভঙ্গ’ করায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পিপি মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম তার জামিন বাতিল করার দাবি জানান। শুনানি শেষে আদালত আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলের সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) থাকার সময় ২০২৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধা কোটার সুবিধা নিতে জালিয়াতির অভিযোগে দুদকের সম্মিলিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা–১–এর উপসহকারী পরিচালক মো. মনজুরুল ইসলাম মিন্টু বাদী হয়ে কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

ওই মামলার এজাহারে বলা হয়, মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি, চাকরি পাওয়াসহ বিভিন্ন সুবিধা ভোগের উদ্দেশ্যে কামাল হোসেন তাঁর জন্মদাতা পিতা-মাতা মো. আবুল কাশেম ও মোছা. হাবীয়া খাতুনের পরিবর্তে নিজের চাচা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আহসান হাবীব ও চাচি মোছা. সানোয়ারা খাতুনকে পিতা-মাতা দেখিয়েছিলেন। এই কৌশলে তিনি ৩৫তম বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নিয়ে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কোটায় প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি পান।

এই মামলা দায়ের করার পর আসামি কামাল হোসেন হাইকোর্টে আগাম জামিন আবেদন করেন। হাইকোর্ট আগাম জামিন দেন। একইসঙ্গে মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করার নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করার পর কামাল হোসেন দাবি করেন তার বিরুদ্ধে মামলাটা হয়রানি মূলক ও মিথ্যা। প্রকৃতপক্ষে তিনি যাদেরকে বাবা-মা হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন তারাই তার প্রকৃত বাবা-মা। এ বিষয়ে তিনি তার ডিএনএ পরীক্ষা সম্পন্ন করতে রাজি হন। এ পর্যায়ে আদালত তাকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন ও ডিএনএ পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসককে সহযোগিতা করার নির্দেশ দেন।

সংগঠনের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে আজ জামিন বাতিল চেয়ে আদালতকে বলা হয়, পরীক্ষার জন্য চিকিৎসকরা বারবার আসামি কামালের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও তিনি কোন সহযোগিতা করেননি। পরে আদালত তার জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানো নির্দেশ দেন।

উল্লেখ্য, মাগুরার সিনিয়র সহকারী কমিশনার হিসেবে সর্বশেষ কর্মস্থল ছিল কামাল হোসেনের। অভিযোগ ওঠার পর তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ওএসডি হিসেবে রাখা হয়। গত ১১ ডিসেম্বর ইউএনও কামাল ও তার মা-বাবা, চাচা-চাচির বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন এই আদালত।

ক্ষুব্ধ হয়ে দেশের পথে জাহেদ উর রহমান, কী ঘটেছিল দিল্লি বিমানবন্দরে

সম্মেলনে যোগ দিতে দিল্লিতে গিয়ে বিমানবন্দর থেকেই ফিরলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

গুম প্রতিরোধ আইনের খসড়া: তদন্তের ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ

গুম-খুনের শিকার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল রানা-স্বপ্নার জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ

সংসদীয় স্থায়ী কমিটি: আইন মন্ত্রণালয়ের সভাপতি পার্থ, অর্থে মুশফিকুর রহমান

স্থায়ী পাবলিক পরীক্ষাকেন্দ্র স্থাপন সরকারের বিবেচনায়: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী

বিআরটি নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত শুনলেন প্রধানমন্ত্রী, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি

হাসিনার করা চুক্তিই খুলে দিতে পারে বেনজীরকে ফেরানোর পথ

আবু সাঈদ হত্যা মামলার ৮০৯ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ