হোম > ইসলাম

নবীজি (সা.)-এর সঙ্গে রহস্যময় আগন্তুকের কথোপকথন

কাউসার লাবীব

মসজিদে নববি। ছবি: সংগৃহীত

মদিনার পবিত্র মসজিদে নবীজি (সা.) সাহাবিদের নিয়ে বসে আছেন। তাঁদের কথোপকথন আর আল্লাহর জিকিরে বাতাস মুখরিত। এমন সময় একজন অপরিচিত ব্যক্তি সেখানে এলেন। তাঁর চেহারা দেখে মনে হয় না তিনি এই এলাকার কেউ। তিনি সোজা নবীজি (সা.)-এর সামনে এসে বসলেন।

তিনি বিনয়ের সঙ্গে জিজ্ঞেস করলেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল ইমান কী?’

নবীজি (সা.) শান্তভাবে উত্তর দিলেন, ‘ইমান হলো আল্লাহ, তাঁর ফেরেশতা, কিয়ামত এবং তাঁর রাসুলদের প্রতি ইমান রাখা। পুনরুত্থানে বিশ্বাস রাখা।’

লোকটি আবার প্রশ্ন করলেন, ‘ইসলাম কী?’

নবীজি (সা.) বললেন, ‘ইসলাম হলো আল্লাহর ইবাদত করা, তাঁর সঙ্গে কোনো কিছুকে অংশীদার না করা, নামাজ প্রতিষ্ঠা করা, জাকাত আদায় করা এবং রমজানের রোজা পালন করা।’

অপরিচিত ব্যক্তিটি আবারও জিজ্ঞেস করলেন, ‘ইহসান কী?’

নবীজি (সা.) বললেন, ‘আপনি এমনভাবে আল্লাহর ইবাদত করবেন—যেন আপনি তাঁকে দেখছেন। আর যদি তাঁকে দেখতে না পান, তবে মনে করবেন তিনি আপনাকে দেখছেন।’

অবশেষে লোকটি শেষ প্রশ্নটি করলেন, ‘কিয়ামত কবে?’

এই প্রশ্নে নবীজি (সা.) একটু থামলেন। তারপর বললেন, ‘এ ব্যাপারে আমি প্রশ্নকর্তার চেয়ে বেশি জ্ঞাত নই। তবে আমি কিছু আলামত বলে দিচ্ছি: যখন দাসী তাঁর প্রভুকে প্রসব করবে এবং উটের রাখালরা বড় বড় অট্টালিকা নির্মাণে প্রতিযোগিতা করবে, তখন কিয়ামত নিকটবর্তী।’

কথা শেষ করে লোকটি চলে গেলেন।

নবীজি (সা.) সাহাবিদের বললেন, ‘তোমরা তাকে ফিরিয়ে আনো।’

কিন্তু তাঁরা বাইরে গিয়ে কাউকে দেখতে পেলেন না। তখন নবীজি (সা.) বললেন, ‘তিনি জিবরাইল (আ.)। তোমাদেরকে দ্বীন শেখাতে এসেছিলেন।’

তথ্যসূত্র: সহিহ্ মুসলিম: ৪৭৭৭

দেহের রোজার পাশাপাশি আত্মিক সংযমও জরুরি

বীর্যপাত হলে কখন রোজা ভাঙে, কখন ভাঙে না?

আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৭ মার্চ ২০২৬

শবে কদর চেনার ৭ উপায়

ইবলিসের কাছ থেকে যে আমল শিখেছিলেন আবু হুরায়রা (রা.)

শবে কদরে যা করবেন, যা বর্জন করবেন

আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৬ মার্চ ২০২৬

সেহরি ও ইফতারের ফজিলত

কে ছিলেন ফখরে বাঙাল আল্লামা তাজুল ইসলাম

জুলাইবিব (রা.)-এর প্রতি নবীজির গভীর ভালোবাসা