রমজান মাস আত্মশুদ্ধি, সংযম ও আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের এক অনন্য সময়। এই ইবাদতের দুটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো সেহরি ও ইফতার—দিনের শুরু ও সমাপ্তির দুই বরকতময় মুহূর্ত। সেহরি কেবল খাবারের নাম নয়, বরং এটি সুন্নাহর অনুসরণ; আর ইফতার হলো আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায়ের বিশেষ সময়।
হাদিসে কুদসিতে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আদম সন্তানের প্রত্যেকটি নেক আমল ১০ গুণ থেকে ৭০ গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়। তবে সাওম বা রোজা ব্যতীত; কেননা তা কেবলমাত্র আমার জন্য। আমিই তার প্রতিদান দেব।’ (সহিহ্ বুখারি: ১৯০৪)
সেহরি অর্থ রাতের শেষাংশের খাবার। সুবহে সাদিকের আগে রোজা রাখার নিয়তে যা খাওয়া হয়, তাকেই সেহরি বলে।
সারা দিন রোজা রাখার পর সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে পানাহারের মাধ্যমে রোজা ভাঙাকে ইফতার বলা হয়। এটি রোজাদারের জন্য চরম আনন্দের মুহূর্ত।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সেহরি ও ইফতারের সুন্নতগুলো যথাযথভাবে পালনের তাওফিক দান করুন। এই রমজান হোক আমাদের জীবন পরিবর্তনের মাধ্যম।
লেখক: প্রাবন্ধিক; শিক্ষার্থী, ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বাংলাদেশ, বসুন্ধরা, ঢাকা