হোম > বিশ্ব > মধ্যপ্রাচ্য

উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় রাডার ধ্বংসের দাবি ইরানের

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

কাতারের আল-উদেইদ ঘাঁটিতে ওই রাডারের অবস্থান। ফাইল ছবি

ইরান দাবি করেছে, উপসাগরীয় অঞ্চলে স্থাপিত যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় রাডার ধ্বংস করা হয়েছে। দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নির্ভুল এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের নির্মাণ করা ‘এএন/এফপিএস-১৩২’ রাডারটি সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়েছে। পরে কাতারের কর্মকর্তারাও হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বলে ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলোর খবরে দাবি করা হয়েছে।

তেহরানভিত্তিক সংবাদপত্র তেহরান টাইমসসহ বিভিন্ন মাধ্যম আইআরজিসির জনসংযোগ দপ্তরের বরাতে জানায়, ‘এএন/এফপিএস-১৩২’ রাডারের ট্র্যাকিং সক্ষমতা প্রায় ৫ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। আধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থায় এ ধরনের রাডার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এটি দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দ্রুত শনাক্ত, অনুসরণ ও প্রতিহত করতে সহায়তা করে।

প্রতিরক্ষাবিষয়ক ওয়েবসাইট ‘ডিফেন্স সিকিউরিটি এশিয়া’-এর তথ্য অনুযায়ী, রাডারটি কাতারের আল-উদেইদ বিমানঘাঁটিতে স্থাপন করা হয়েছিল। ২০১৩ সালে প্রায় ১ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে যুক্তরাষ্ট্র এটি স্থাপন করে। এটি বিশেষভাবে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য উপযোগী করে তৈরি করা হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

আইআরজিসি দাবি করেছে, এই হামলার ফলে যুক্তরাষ্ট্রের নজরদারি সক্ষমতায় বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটবে এবং উপসাগরীয় মিত্র রাষ্ট্রগুলোর সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থায় আঘাত লাগবে। তবে এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

সংঘাতের বিস্তার প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানি কর্তৃপক্ষ উভয় পক্ষই ইঙ্গিত দিয়েছে, এই সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র এই সামরিক অভিযানের নাম দিয়েছে ‘এপিক ফিউরি’।

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে মার্কিন বাহিনীর ব্যবহৃত অস্ত্রের তালিকায় রয়েছে বি-২ স্টিলথ বোমারু বিমান, যার প্রতিটির মূল্য এক বিলিয়ন ডলারের বেশি। এ ছাড়া মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড কম খরচের একমুখী ড্রোন ‘লুকাস’ ব্যবহারের কথাও জানিয়েছে। সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, এই ড্রোন ইরান-নির্মিত ‘শাহেদ ১৩৬’ ড্রোনের আদলে তৈরি।

ইরানের ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র প্যাট্রিয়ট ও থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সক্রিয় করেছে। পাশাপাশি বিমানবাহী রণতরি ও গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ারও মোতায়েন করা হয়েছে, যা মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনাকে আরও তীব্র করে তুলেছে।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির পরও দক্ষিণ লেবানন ছাড়বে না ইসরায়েল

ইরান–যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য চুক্তিতে আছে যেসব বিষয়

চুক্তিতে পৌঁছেছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র, সই শুক্রবারে

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে ‘ইলেকট্রনিক্যালি’

ইরান–যুক্তরাষ্ট্র সম্ভাব্য চুক্তির সঙ্গে ২০১৫ সালের চুক্তির যত মিল–অমিল

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ইরানের প্রত্যাখ্যান—যুদ্ধবিরতি চুক্তি আজ আদৌ হবে কি

রোববারই চুক্তি সই হবে—ট্রাম্পের দাবি প্রত্যাখ্যান আইআরজিসির

জুলাই মাসে দাফন করা হবে ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনিকে

হামলা না করার শর্তে ইরানকে বিপুল টাকা দিয়েছে আমিরাত, ‘ভিত্তিহীন খবর’ বলল আবুধাবি

যুদ্ধ বন্ধে ‘চুক্তির এত কাছাকাছি আর কখনোই আসেনি’ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র