হোম > বিশ্ব > মধ্যপ্রাচ্য

ফিলিস্তিনিকে ধর্ষণ, সেনাসদস্যদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রত্যাহার করল ইসরায়েল

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

ইসরায়েলি কারাগারে দেশটির মন্ত্রী ইতামার বেন–গভিরের উপস্থিতিতে নির্যাতন করা হয় ফিলিস্তিনিদের। ছবি: সংগৃহীত

দক্ষিণ ইসরায়েলের কুখ্যাত এসদে তেইমান আটক কেন্দ্রে এক ফিলিস্তিনি বন্দীকে ধর্ষণসহ যৌন নির্যাতনের অভিযোগে অভিযুক্ত পাঁচ সেনার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ গতকাল বৃহস্পতিবার প্রত্যাহার করেছে ইসরায়েলি সামরিক প্রসিকিউটররা। এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। তুরস্কের সংবাদমাধ্যম ডেইলি সাবাহর প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বলেছে, ‘এসদে তেইমান মামলায় অভিযোগপত্র দাখিলের পর থেকে যে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনগুলো ঘটেছে, সেগুলোর আলোকে সামরিক প্রসিকিউশন আজ (গতকাল বৃহস্পতিবার) অভিযোগপত্র খারিজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’

নির্যাতনের এই ঘটনা ২০২৫ সালের জুলাই মাসের। সে সময় কুখ্যাত ওই আটক কেন্দ্রে এক ফিলিস্তিনি বন্দীকে ইসরায়েলি সেনারা নির্যাতন ও যৌন নিপীড়ন করে। এতে তাঁর গুরুতর আঘাত লাগে এবং মলদ্বারে ছিঁড়ে যাওয়ার মতো ক্ষত সৃষ্টি হয়।

এর আগে ইসরায়েলি গণমাধ্যম, যার মধ্যে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম কানও রয়েছে, দাবি করেছিল যে—২০২৫ সালের ১৩ অক্টোবর নির্যাতনের শিকার ওই বন্দীকে গাজা উপত্যকায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়। হামাসের সঙ্গে বন্দী বিনিময় চুক্তির আওতায় মুক্তি পাওয়া বন্দীদের একটি দলের সঙ্গে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে জানানো হয়।

এসদে তেইমান নামটির আরবি আক্ষরিক অর্থ ‘ইয়েমেনের মাঠ।’ এটি দক্ষিণ ইসরায়েলের নেগেভ মরুভূমিতে অবস্থিত একটি ইসরায়েলি সামরিক ঘাঁটি। সেখানে জিজ্ঞাসাবাদকারীরা গাজা থেকে আটক ফিলিস্তিনি বন্দীদের ওপর শারীরিক ও যৌন নির্যাতনের জন্য কুখ্যাত হয়ে উঠেছে। এ কারণে কুখ্যাত মার্কিন আটক কেন্দ্র গুয়ানতানামোর সঙ্গে তুলনা করে একে ‘ইসরায়েলের গুয়ানতানামো’ বলা হয়ে থাকে।

ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলি গণমাধ্যম এবং মানবাধিকার সংস্থার প্রতিবেদনের মতে, এসদে তেইমান কারাগারে ফিলিস্তিনি বন্দীদের ওপর ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে রয়েছে নির্মম মারধর, দীর্ঘ সময় ধরে বেঁধে রাখা এবং চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করা। এসব নির্যাতনের কারণে বন্দীদের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে।

ইরান–যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য চুক্তিতে আছে যেসব বিষয়

চুক্তিতে পৌঁছেছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র, সই শুক্রবারে

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে ‘ইলেকট্রনিক্যালি’

ইরান–যুক্তরাষ্ট্র সম্ভাব্য চুক্তির সঙ্গে ২০১৫ সালের চুক্তির যত মিল–অমিল

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ইরানের প্রত্যাখ্যান—যুদ্ধবিরতি চুক্তি আজ আদৌ হবে কি

রোববারই চুক্তি সই হবে—ট্রাম্পের দাবি প্রত্যাখ্যান আইআরজিসির

জুলাই মাসে দাফন করা হবে ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনিকে

হামলা না করার শর্তে ইরানকে বিপুল টাকা দিয়েছে আমিরাত, ‘ভিত্তিহীন খবর’ বলল আবুধাবি

যুদ্ধ বন্ধে ‘চুক্তির এত কাছাকাছি আর কখনোই আসেনি’ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত, কী আছে এতে