হোম > বিশ্ব > মধ্যপ্রাচ্য

ইসরায়েলে ৩ বাসে বিস্ফোরণ, সন্ত্রাসী হামলা বলে সন্দেহ

ছবি: টাইমস অব ইসরায়েল

ইসরায়েলের বাত ইয়াম ও হোলোন শহরের পার্কিং লটে তিনটি বাসে বিস্ফোরণ ঘটেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতের এই ঘটনাকে পুলিশ একটি পরিকল্পিত সন্ত্রাসী হামলা বলে সন্দেহ করছে। তবে এই বিস্ফোরণের ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।

টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, তিনটি বাসে বিস্ফোরণের পর পুলিশ আরও দুটি বাসে বিস্ফোরক ডিভাইস শনাক্ত করেছে। পরে তারা সেগুলো নিষ্ক্রিয় করে। প্রতিটি ডিভাইসে প্রায় ৫ কিলোগ্রাম বিস্ফোরক ছিল।

পুলিশের ধারণা, বিস্ফোরণগুলোর উদ্দেশ্য ছিল শুক্রবার সকালে যাত্রীবোঝাই বাসগুলোতে হামলা চালানো। তবে টাইমার ভুল সেট করা হয়েছিল। ফলে তা নির্ধারিত সময়ের আগেই বিস্ফোরিত হয়েছে।

পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজনদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে। এ ছাড়া আরও কোথাও বিস্ফোরক আছে কিনা অনুসন্ধান চালাচ্ছেন বোমা বিশেষজ্ঞরা।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং গভীর রাতে নিরাপত্তা পর্যালোচনা শেষে পশ্চিম তীরে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি ইসরায়েলি পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেতকে আরও সক্রিয়ভাবে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে বলেছেন।

ইসরায়েলের পরিবহনমন্ত্রী মিরি রেগেভ সব গণপরিবহন পরিষেবা সাময়িকভাবে বন্ধ করে প্রতিটি বাস ও ট্রেনের নিরাপত্তা পরীক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছেন।

তেল আবিব জেলা পুলিশের প্রধান হাইম সারগারোফ জানিয়েছেন, বিস্ফোরক ডিভাইসগুলোতে টাইমার ছিল। তবে সেগুলো ছিল স্বল্প মানের। তিনি সন্দেহ করছেন, হামলার সূত্রপাত পশ্চিম তীর থেকেই হয়েছে।

স্থানীয় গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুসারে, একটি ডিভাইসে তুলকারেম শহরের নাম উল্লেখ করে ‘শহীদদের প্রতিশোধ নেওয়া হবে’ এমন বার্তা লেখা ছিল। তবে হামলার দায় এখন পর্যন্ত কেউ স্বীকার করেনি।

‘চ্যানেল-১২ নিউজ’ জানিয়েছে, একটি বাসের যাত্রী সন্দেহজনক ব্যাগের বিষয়ে চালককে সতর্ক করেছিলেন। এরপরই পুলিশের নজরে আসে অবিস্ফোরিত বোমাগুলো।

পুলিশের মুখপাত্র আরিয়েহ ডরন বলেছেন, ‘হয়তো আমরা ভাগ্যবান যে হামলাকারীরা টাইমার ভুল সেট করেছিল। তবে এখনই নিশ্চিত করে কিছু বলা সম্ভব নয়।’

পশ্চিম তীরের তুলকারেম শরণার্থী শিবিরে অভিযান জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ। তিনি বলেন, ‘আমরা সন্ত্রাসীদের শেষ পর্যন্ত খুঁজে বের করব এবং তাদের নেটওয়ার্ক ধ্বংস করব।’

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা হামলার তদন্ত করছে এবং পশ্চিম তীরে আরও তিনটি ব্যাটালিয়ন মোতায়েন করা হবে। একই সঙ্গে, সীমান্ত এলাকার চেকপয়েন্টগুলো বন্ধ করা হয়েছে।

এই ঘটনার পর বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরসহ জেরুজালেমের লাইট রেলে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এ ছাড়া দেশজুড়ে বাস চালকদের গাড়ি ছাড়ার আগে তল্লাশি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরব আমিরাতে এক দিনে ইরানের ১৫ ক্ষেপণাস্ত্র, ১৪৮ ড্রোন হামলা

৩৫ হাজারের ইরানি ড্রোন ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রের খরচ ৪০ লাখ ডলার

মাটির নিচে ড্রোনের বিশাল মজুত, ভিডিও প্রকাশ ইরানের

তুর্কি সীমান্ত দিয়ে দলে দলে ইরান ছাড়ছে মানুষ

ঘাঁটি ব্যবহার করতে দেবে না স্পেন, চলে গেল মার্কিন যুদ্ধবিমান

ইরানের পাশে থাকার ঘোষণা চীনের

হামলায় আহত খামেনির স্ত্রীও মারা গেছেন

দীর্ঘ যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়েছে ইরান, শত্রুরা পস্তাবে—লারিজানির হুঁশিয়ারি

ড্রোন হামলার পর ‘রাস তানুরা’ শোধনাগার বন্ধ করল সৌদি আরামকো

ইরানে হামলার জন্য ট্রাম্পকে উসকানির অভিযোগ অস্বীকার করল সৌদি আরব