হোম > বিশ্ব > মধ্যপ্রাচ্য

কাতারে হামলার আগে ট্রাম্পকে জানিয়েছিলেন নেতানিয়াহু, তিনি ‘না’ করেননি

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

ডোনাল্ড ট্রাম্প ও বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দোহায় হামাস নেতাদের ওপর হামলার বিষয়টি হামলার প্রায় ৫০ মিনিট আগে জানিয়েছিলেন।

গতকাল সোমবার মার্কিন সংবাদ সংস্থা অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে এমনটাই দাবি করা হয়েছে।

অ্যাক্সিওসকে সাতজন ইসরায়েলি কর্মকর্তা বলেছেন, ৯ সেপ্টেম্বর দোহায় ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের আগে হোয়াইট হাউস এই হামলা সম্পর্কে জানত। ট্রাম্প হামলার পর বলেছিলেন, দোহা হামলা সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রকে কোনো গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়নি; তিনি কাতারকে সতর্ক করার চেষ্টা করেও সময় পাননি এবং এ ঘটনায় ‘খুব অসন্তুষ্ট’ ছিলেন তিনি।

গত রোববার সাংবাদিকদের ট্রাম্প আরও বলেছিলেন, ইসরায়েলকে কাতারের সঙ্গে কীভাবে আচরণ করতে হবে, সে বিষয়ে ‘খুব সতর্ক’ থাকতে হবে। কারণ, তিনি কাতারকে ‘মহান মিত্র’ হিসেবে দেখেন।

তবে দোহায় হামলা সম্পর্কে সরাসরি অবগত থাকা তিন ইসরায়েলি কর্মকর্তার বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, নেতানিয়াহুর ওই বার্তা ট্রাম্পকে হামলা বন্ধ করার যথেষ্ট সময় দিয়েছিল। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী ওয়াশিংটনের স্থানীয় সময় সকাল ৮টার দিকে ট্রাম্পকে ফোন করেছিলেন। এর প্রায় ৫০ মিনিট পর দোহায় বিস্ফোরণের প্রথম খবর আসে।

এক জ্যেষ্ঠ ইসরায়েলি কর্মকর্তা অ্যাক্সিওসকে বলেন, হামলার দিন প্রথমে নেতানিয়াহু ও ট্রাম্পের মধ্যে রাজনৈতিক স্তরে আলোচনা হয়েছিল; পরে সামরিক চ্যানেলের মাধ্যমে। ট্রাম্প ‘না’ বলেননি।

ইসরায়েলের আরও এক কর্মকর্তা বলেন, ট্রাম্প যদি হামলা থামাতে চাইতেন, তাহলে তিনি পারতেন। কার্যত, তিনি তা করেননি।

দোহায় হামলায় হামাসের পাঁচজন নিম্নপর্যায়ের সদস্য এবং একজন কাতারি নিরাপত্তাকর্মী নিহত হন। তবে ঘটনাস্থলে থাকা হামাসের নেতৃস্থানীয় পাঁচজন এ হামলায় অক্ষত ছিলেন।

এ ঘটনায় আরব দেশগুলো ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানায় এবং গতকাল সোমবার জরুরি বৈঠকে বসে। বৈঠকে ইসরায়েলের সঙ্গে পূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক থাকা দেশগুলোর নেতারাও উপস্থিত ছিলেন এবং তাঁরা ইসরায়েলকে কঠোরভাবে নিন্দা জানান।

অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে এটা স্পষ্ট করা হয়নি—ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর কথোপকথনে ঠিক কী বলা হয়েছিল বা ট্রাম্প শেষ মুহূর্তে কাতারকে সতর্ক করেছিলেন কি না।

তথ্যসূত্র: দ্য টাইমস অব ইসরায়েল

ইরান–যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য চুক্তিতে আছে যেসব বিষয়

চুক্তিতে পৌঁছেছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র, সই শুক্রবারে

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে ‘ইলেকট্রনিক্যালি’

ইরান–যুক্তরাষ্ট্র সম্ভাব্য চুক্তির সঙ্গে ২০১৫ সালের চুক্তির যত মিল–অমিল

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ইরানের প্রত্যাখ্যান—যুদ্ধবিরতি চুক্তি আজ আদৌ হবে কি

রোববারই চুক্তি সই হবে—ট্রাম্পের দাবি প্রত্যাখ্যান আইআরজিসির

জুলাই মাসে দাফন করা হবে ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনিকে

হামলা না করার শর্তে ইরানকে বিপুল টাকা দিয়েছে আমিরাত, ‘ভিত্তিহীন খবর’ বলল আবুধাবি

যুদ্ধ বন্ধে ‘চুক্তির এত কাছাকাছি আর কখনোই আসেনি’ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত, কী আছে এতে