হোম > বিশ্ব > ইউরোপ

বিস্তৃত যুদ্ধে জড়াবে না ব্রিটেন: স্টারমার

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। ছবি: পিএ মিডিয়া

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ব্রিটেন কোনোভাবেই কোনো ‘বিস্তৃত যুদ্ধে’ জড়াবে না বলে জানিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকে সামরিক সহায়তার চাপের মুখে আজ সোমবার ডাউনিং স্ট্রিটে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এই ঘোষণা দেন।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এর আগে সতর্ক করেছিলেন, ব্রিটেনসহ মিত্র দেশগুলো যদি এই অঞ্চলে সামরিক সহায়তা না দেয়, তবে ন্যাটোর ভবিষ্যৎ ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। এর জবাবে স্টারমার বলেন, ব্রিটেনের প্রথম অগ্রাধিকার হলো এই অঞ্চলে অবস্থানরত তার নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং মিত্রদের প্রতিরক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া।

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ‘ব্রিটেন নিজেকে কোনো বড় সংঘাতের অংশ হতে দেবে না। আমরা এই অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধারের জন্য একটি দ্রুত এবং কার্যকর সমাধানের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি।’

হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল করতে ট্রাম্পের আহ্বানের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে প্রধানমন্ত্রী জানান, গতকালই তাঁর সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ফোনে কথা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার একটি কার্যকর পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে বিষয়টি মোটেও সহজ বা সোজাসাপ্টা নয়। এ বিষয়ে আমরা মিত্রদের নিয়ে কাজ করব।’

ব্রিফিংয়ে একজন সাংবাদিক স্টারমারকে জিজ্ঞাসা করেন, ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ককে তিনি ০ থেকে ১০-এর মধ্যে কত দেবেন। উত্তরে স্টারমার সরাসরি কোনো নম্বর না দিলেও বলেন, ‘আমাদের সম্পর্ক ভালো। গতকাল হরমুজ প্রণালি নিয়ে আমাদের চমৎকার আলোচনা হয়েছে। আমরা কয়েক দশক ধরেই শক্তিশালী মিত্র।’

তবে নিজের কঠোর অবস্থানের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে স্টারমার বলেন, ‘কিন্তু ব্রিটেনের জাতীয় স্বার্থে যা সেরা, আমাকে সেই অনুযায়ী কাজ করতে হবে।’

যুদ্ধের ভয়াবহতা এবং দায়িত্ববোধের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আপনি যদি প্রধানমন্ত্রী হন, তবে এক সপ্তাহ পর ফিরে এসে বলতে পারবেন না—‘ওহ, আমি ওই যুদ্ধ নিয়ে ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, আমি কি এখন পিছিয়ে আসতে পারি?’ সেটি সম্ভব নয়।

এর আগে গত ২ মার্চ পার্লামেন্টে এক ভাষণে স্টারমার জানান, ইরানে চলমান মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে যুক্তরাজ্য সরামরি অংশ নেবে না। ব্রিটিশ ঘাঁটিগুলো ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হলেও তা কেবল ‘প্রতিরক্ষামূলক’ কাজেই সীমাবদ্ধ থাকবে।

স্টারমার বলেছিলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই আক্রমণাত্মক হামলায় যোগ দিচ্ছি না। আমাদের সিদ্ধান্ত কেবল দীর্ঘদিনের বন্ধু ও মিত্রদের সম্মিলিত আত্মরক্ষা এবং ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন রক্ষার ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়েছে।’

তিনি আরও জানান, যদিও তিনি মার্কিন বাহিনীকে ব্রিটিশ ঘাঁটিগুলো ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছেন, তবে তা কেবল ‘পূর্বনির্ধারিত প্রতিরক্ষামূলক উদ্দেশ্যেই’ ব্যবহার করা যাবে। কোনো অবস্থায়ই ব্রিটিশ বাহিনী ইরানের ওপর সরাসরি আক্রমণ চালাবে না।

স্বামীর পাসওয়ার্ড চুরি করে ৩ হাজার কোটি টাকার বিটকয়েন আত্মসাৎ

মতপ্রকাশের প্রতীক নয়, লেখক হিসেবে অমরত্ব চান সালমান রুশদি

হরমুজ প্রণালিতে ট্রাম্পের অভিযানের ডাক প্রত্যাখ্যান ইইউর

ট্রাম্পকে এড়িয়ে আলোচনার পথ খুঁজছে ইইউ, ইরান-লেবাননের জন্য মানবিক সহায়তা ঘোষণা

লিপ-রিডারদের দক্ষতায় ফেঁসে যাচ্ছেন রাজপরিবারের সদস্য ও তারকারা

মধ্যপ্রাচ্যে ব্রিটিশ যুদ্ধবিমান, কাতার-সাইপ্রাসে টাইফুন, এফ-৩৫ মোতায়েন

কিশোরী মডেলকে আল ফায়েদের ইয়টে পাঠিয়েছিলেন এপস্টেইন

ইরানি ড্রোন প্রতিহত করার কৌশল শেখাবেন, তবে বিনিময়ে টাকা চান জেলেনস্কি

ইরানি ড্রোন ঠেকাতে সহায়তার বিনিময়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে যা চাইল ইউক্রেন

যুদ্ধবাজ খ্রিষ্টান নেতাদের পাপ স্বীকারের পরামর্শ দিলেন পোপ লিও