হোম > বিশ্ব > ইউরোপ

ব্রিটিশ বিমানঘাঁটি থেকে ইরানে হামলার ট্রাম্পের পরিকল্পনা আটকে দিলেন স্টারমার

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

ব্রিটিশ বিমানঘাঁটি ব্যবহার করে ইরানে হামলার ট্রাম্পীয় পরিকল্পনা আটকে দিয়েছেন স্টারমার। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যের ফেয়ারফোর্ডে অবস্থিত মার্কিন বিমানঘাঁটি ব্যবহার করে কৌশলগত যুদ্ধবিমান দিয়ে ইরানে আঘাত হানার পরিকল্পনা রেখেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার মার্কিন প্রেসিডেন্টের সেই পরিকল্পনায় বাঁধ সেধেছেন। তিনি ইরান আক্রমণের জন্য ব্রিটিশ রয়্যাল এয়ারফোর্সের ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিতে বাধা দিয়েছেন।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফের খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্প ভেবেছিলেন, ইরানে বিমান হামলা চালাতে ভারত মহাসাগরের দ্বীপ দিয়েগো গার্সিয়ার সামরিক ঘাঁটি এবং ইংল্যান্ডের রয়্যাল এয়ারফোর্স বেস ফেয়ারফোর্ড ব্যবহার করা যাবে। কিন্তু ব্রিটিশ সরকার রয়্যাল এয়ারফোর্সের ঘাঁটিগুলো ব্যবহারে অনুমতি দেয়নি।

যার কারণে ট্রাম্প তাঁর চাগোস দ্বীপপুঞ্জের পরিকল্পনায় সমর্থন ফিরে নিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। স্পষ্ট করে বললে, ব্রিটিশ সরকার যে চাগোস দ্বীপপুঞ্জের মালিকানা মরিশাসের হাতে তুলে দিতে যাচ্ছে, ট্রাম্প তার বিরোধিতা শুরু করেছেন।

ট্রাম্প সতর্ক করেছেন, ইরান যদি পারমাণবিক বিষয়ে কোনো চুক্তি না করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রকে দিয়েগো গার্সিয়া ও ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটি থেকে বিমান হামলা চালাতে হতে পারে যাতে তারা ‘একটি সম্ভাব্য আক্রমণ’ প্রতিহত করতে পারে।

চাগোস দ্বীপপুঞ্জের মধ্যে দিয়েগো গার্সিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি। যুক্তরাষ্ট্র এর আগে এখানে বিমানবাহী রণতরী এবং দূরপাল্লার বিমান ও রিফুয়েলিয়ার বিমান মোতায়েন করেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র যদি ব্রিটিশ রয়্যাল এয়ারফোর্সের ঘাঁটিগুলো ব্যবহার করতে চায়, তাহলে যুক্তরাজ্যের অনুমতি নিতে হবে।

ব্রিটিশ সরকারের আইনজীবীরা বলছেন, ইরানের ওপর হামলায় যুক্তরাজ্যের অংশগ্রহণ আন্তর্জাতিক আইনের সীমা লঙ্ঘন করতে পারে, এবং ব্রিটেন এমন কোনো সিদ্ধান্তে সহায়তা করবে না যা আন্তর্জাতিক আইনের বিরুদ্ধে যায়। ট্রাম্পের চাগোস দ্বীপপুঞ্জের চুক্তিতে আগের সমর্থন হঠাৎ কীভাবে বদলে গেল, সেটা এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে জড়িত বলে মনে করা হচ্ছে। তিনি টুইটের মতো নিজের প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে স্টারমারকে বলেছেন ‘ওয়োকবাদের মুখে শক্ত থাকা উচিত।’

সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যে ২০০৩ সালে ইরাক আক্রমণের পর সবচেয়ে বড় সামরিক শক্তি মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্র বলছে তারা শনিবারের মধ্যে যুদ্ধের প্রস্তুতি সম্পন্ন করবে। গত বছর ট্রাম্প ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা করেছিলেন, কিন্তু ব্রিটিশ সরকার সেসব হামলায় বেসামরিক অংশগ্রহণ নিয়ে স্পষ্ট কিছু জানাননি। এবার একই কারণে তারা জাতিসংঘের অনুজ্ঞাপত্র, আন্তর্জাতিক আইন ও দেশগত দায়িত্ব বিবেচনায় করে রয়্যাল এয়ারফোর্সের ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিচ্ছে না।

ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিচ্ছে ইউরোপের ৪ দেশ

যুক্তরাজ্যে সুদানের অভিবাসীর ছুরিকাঘাত থেকে বিক্ষোভ-সহিংসতা

পুতিনকে চিঠি দিয়ে জেলেনস্কির মুখোমুখি বসার প্রস্তাবকে কীভাবে নিল যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া

প্রতিদিনই অগ্রসর হচ্ছে রুশ বাহিনী, ইউক্রেনকে আপসের আহ্বান পুতিনের

পুতিনকে খোলা চিঠি জেলেনস্কির, মুখোমুখি বৈঠকের প্রস্তাবসহ আর কী আছে এতে

নিরাপত্তা পরিষদে ‘তিক্ত পরাজয়’ জার্মানির, দায় চাপাল রাশিয়ার কাঁধে

ডেনমার্কের মন্ত্রিসভায় প্রথমবারের মতো নারীরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ

ইউক্রেনজুড়ে রাশিয়া ক্ষেপণাস্ত্র–ড্রোন হামলা, নিহত অন্তত ৯

রুশ তেলবাহী আরও এক ট্যাংকার জব্দ করল ফ্রান্স

মা যখন জানলেন তাঁর কিশোরী কন্যার বয়ফ্রেন্ড দণ্ডপ্রাপ্ত শিশু যৌন অপরাধী