হোম > সারা দেশ > রংপুর

পীরগঞ্জে অন্তঃসত্ত্বা নারীকে হত্যায় একজনের ফাঁসির রায়

পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি 

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মাসুদ মিয়া। ছবি: আজকের পত্রিকা

রংপুরের পীরগঞ্জে এক অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার গর্ভের সন্তানকে হত্যার দায়ে মো. মাসুদ মিয়া (৩৫) নামের এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার (১৮ মে) রংপুরের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ ফজলে খোদা মো. নাজিরের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ১৫ জুলাই অন্তঃসত্ত্বা নারী সান্ত্বনা খাতুন (২৫) ও তার গর্ভের সন্তান হত্যার ঘটনায় পীরগঞ্জ থানায় অজ্ঞাতনামা আসামির বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করে পুলিশ।

তদন্তে জানা যায়, ঢাকার আশুলিয়ায় একটি পোশাক কারখানায় চাকরির সময় আসামি মাসুদ মিয়ার সঙ্গে সান্ত্বনা খাতুনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হলে সান্ত্বনা অন্তঃসত্ত্বা হন। পরে বিয়ের দাবিতে সান্ত্বনা মাসুদের গ্রামের বাড়ি পীরগঞ্জ উপজেলার টুকুরিয়া ইউনিয়নের মোনাইল গ্রামে যান এবং তাকে বিয়ের জন্য চাপ দেন। একই সঙ্গে মামলা করার হুমকিও দেন।

এরপর বিয়ের আশ্বাস দিয়ে মাসুদ তাকে পীরগঞ্জে নিয়ে যান। পথে বড়আলমপুর ইউনিয়নের আকুবেরপাড়া এলাকায় কৌশলে একটি আখখেতে নিয়ে সান্ত্বনাকে হত্যা করে ফেলে রেখে যান। এ ঘটনায় গর্ভে থাকা সন্তানও মারা যায়।

মামলাটি প্রথমে তদন্ত করেন পীরগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক আহসান হাবীব প্রিন্স। পরে তদন্তভার পান পুলিশ পরিদর্শক মো. মোস্তফা কামাল। দীর্ঘ তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হলে সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত এ রায় দেন।

রায় ঘোষণার সময় আসামি মাসুদ মিয়া আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে উলিপুরে ছাত্রদলের মিছিল

অক্সিজেন না দেওয়ায় রমেকে রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ, স্বজনদের মহাসড়ক অবরোধ

গঙ্গাচড়ায় এনসিপির কমিটি নিয়ে ক্ষোভ, জাপা নেতা-কর্মীদের প্রাধান্যের অভিযোগ

পীরগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং কার্যক্রম: তথ্য যাচাই ও গণশুনানি

বদরগঞ্জে বজ্রপাতে কৃষিশ্রমিকের মৃত্যু

বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে রংপুর বিভাগে শ্রেষ্ঠ পীরগঞ্জের কাব্য

রংপুরে ৬ ছাত্রীর অভিযোগে শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত

পীরগঞ্জে পুণ্য খালের দুই তীরে ৭ হাজার গাছের চারা রোপণ শুরু

চাকার বিকট বিস্ফোরণে ছিন্নভিন্ন বাস, প্রাণ গেল এক নারীর, আহত ১৫

রংপুর: ৮ জেলায় ডুবুরি মাত্র পাঁচজন, বাড়ছে ঝুঁকি