নোয়াখালীর একজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে এক নারীর অন্তরঙ্গ মুহূর্তের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে ইউএনও দাবি করেছেন, ভিডিওটি তাঁর সম্মানহানির উদ্দেশ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।
আজ সোমবার (১৬ মার্চ) কয়েকটি ফেসবুক আইডি থেকে ভিডিওটি পোস্ট করা হলে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের নেতিবাচক মন্তব্য দেখা যাচ্ছে।
স্থানীয় একটি সূত্র জানায়, ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার খবর পাওয়ার পর আজ সকাল ৯টার আগেই ইউএনও কর্মস্থল ত্যাগ করে জেলা সদরের উদ্দেশে রওনা দেন।
ইউএনওর কার্যালয়ের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, তিনি সকাল ৯টার দিকে কার্যালয়ে এসে জানতে পারেন ইউএনও জেলা সদরে গেছেন। যাওয়ার আগে তিনি কারও কাছে বিস্তারিত কিছু বলেননি। এক প্রশ্নের জবাবে ওই কর্মচারী জানান, ইউএনওর সঙ্গে এক নারীর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি তিনিও শুনেছেন, তবে এ বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে চাননি।
ছড়িয়ে পড়া ভিডিও সম্পর্কে জানতে চাইলে ইউএনও মোবাইল ফোনে বলেন, ‘অনেক আগের একটি কর্মস্থলকে কেন্দ্র করে কিছু ব্যক্তির সঙ্গে বিরোধ রয়েছে। সেই শত্রুতার জেরে কেউ এআই ব্যবহার করে এমন ভিডিও তৈরি করে আমার সম্মানহানির চেষ্টা করছে। বিষয়টি প্রতিহত করার জন্য আমি কাজ করছি।’
ইউএনও আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে তাঁদের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম জানান, তিনি বিষয়টি পত্রিকার মাধ্যমে জানতে পেরেছেন এবং ইতিমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছেন। বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা প্রয়োজন।
এক প্রশ্নের জবাবে জেলা প্রশাসক জানান, ওই ইউএনও আজ সকালে তাঁর দপ্তরে ছুটির আবেদন দিয়ে কর্মস্থল ত্যাগ করেছেন।