হোম > সারা দেশ > গাইবান্ধা

পাকা ঘর দেওয়ার কথা বলে ৬৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

পলাশবাড়ী (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি 

আজ দুপুরে পলাশবাড়ী পৌর শহরের উদয়সাগর হাজীপাড়ায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীরা। ছবি: আজকের পত্রিকা

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে অসহায় মানুষের মধ্যে প্রথমে টিউবওয়েল দিয়ে আস্থা তৈরি করে পরে টিনশেড ঘর দেওয়ার কথা বলে প্রায় ৬৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে শহিদুল ইসলাম নামের এক মাওলানার বিরুদ্ধে। আজ বুধবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে পলাশবাড়ী পৌর শহরের উদয়সাগর হাজীপাড়ায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ তোলেন গাইবান্ধা জামিয়া ইসলামিয়া আসমা মহিলা মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হাফেজ মো. আল আমিন।

অভিযুক্ত হাফেজ মাওলানা শহিদুল ইসলাম বগুড়া সদর উপজেলার বৃন্দাবন পশ্চিমপাড়ার আকবর আলীর ছেলে। আর হাফেজ মো. আল আমিন পলাশবাড়ী পৌর শহরের উদয়সাগর হাজীপাড়ার জিয়াউল ইসলাম পারভেজের ছেলে।

সংবাদ সম্মেলনে আল আমিন বলেন, ‘প্রায় তিন বছর আগে বন্ধু হাফেজ মোর্শেদ আলমের মাধ্যমে শহিদুল ইসলামের সঙ্গে আমার পরিচয় হয়। এরপর তিন বছরে শহিদুল স্থানীয় মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলেন। প্রথমে জনপ্রতি ৩০০ টাকা করে নিয়ে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ২০টি পরিবারকে টিউবওয়েল স্থাপন করে দেন, এতে এলাকায় তাঁর প্রতি আস্থা তৈরি হয়। পরে এলাকার দুস্থ ও অসহায় মানুষের জন্য টিনশেড ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে জনপ্রতি ১৫ হাজার টাকা করে নেন। তাঁর পূর্বের কার্যক্রমে আস্থা রেখে ৩৬৫ জন মানুষ ১৫ হাজার টাকা করে মোট ৫৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা শহিদুল ইসলামের কাছে দেন।

‘এর মধ্যে ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ৫ লাখ ৯৯ হাজার ৬৭০ টাকা এবং বাকি ৪৮ লাখ ৭৫ হাজার ৩৩০ টাকা নগদে তাঁর (শহিদুলের) হাতে দেওয়া হয়। পরে কাঠ ও খুঁটি কেনার কথা বলে আরও ১০ লাখ টাকা নেওয়া হয়।’ সব মিলিয়ে অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম ও তাঁর সহযোগীরা ৬৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা নিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন আল আমিন।

আল আমিনের আরও অভিযোগ, শহিদুল ইসলাম নিজের ব্যাংক হিসাব ছাড়াও তাঁর স্ত্রী ও সন্তানদের ব্যাংক হিসাবে এসব টাকা নেন। নির্ধারিত সময়েও ঘর না পেয়ে ভুক্তভোগীরা টাকা ফেরতের জন্য চাপ দিলে তাঁরা নানা হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীদের পক্ষে আল আমিন বাদী হয়ে শহিদুল ইসলাম, তাঁর স্ত্রী রাজিয়া সুলতানা, ছেলে সালাউদ্দিন ও মেয়ে সুমাইয়া বেগমকে আসামি করে গাইবান্ধা আমলি আদালতে একটি মামলা করেছেন। আদালত মামলাটির তদন্তভার সিআইডিকে দিয়েছেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘যাঁরা টাকা দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন, আমার কাছে হিসাব আছে—তাঁরা সর্বোচ্চ ছয় লাখ টাকা পাবেন। বাকি টাকা যাঁরা উত্তোলন করেছেন, তাঁরাই নিয়েছেন।’

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীদের মধ্যে জিয়াউল ইসলাম পারভেজ, শরিফুল ইসলাম শরিফ, আব্দুল হান্নান, সোহেল রানা, হাবিবুর রহমান, লাভলু মিয়াসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

প্রসবের পর রক্তক্ষরণ, চর পেরিয়ে হাসপাতালে যাওয়ার পথেই থামল ইউপি সদস্যের জীবন

করতোয়া নদী থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

গাইবান্ধায় ঘোড়া জবাই করে মাংস পাচারের চেষ্টা, ৬ জনকে পুলিশে সোপর্দ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর স্ট্যাটাস, যুবককে পুলিশে দিলেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা

গোবিন্দগঞ্জে করতোয়া নদীর বাঁধে ভাঙন, ঝুঁকিতে এলাকাবাসী

গাইবান্ধায় বাসের ধাক্কায় অটোচালক নিহত, আহত ৮

পলাশবাড়ীতে পানহাটির আধিপত্য নিয়ে বিএনপি-জামায়াত পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, ককটেল বিস্ফোরণ

গাইবান্ধায় রেলওয়ের জমির শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

মাদক প্রতিহত করতে গিয়ে উল্টো মামলার আসামি শিক্ষার্থীরা, প্রতিবাদে স্থানীয়দের মানববন্ধন

চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে যুবকের দুই পা বিচ্ছিন্ন, পরে মৃত্যু