বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার পৌর এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাক। পাঁচ ছেলের মধ্যে ছোট ছেলে সাব্বিরের বিয়ে দিয়েছিলেন খুলনার কয়রা উপজেলার নাকশা গ্রামে। কনে মারজিয়া আক্তার মিতু। দুপুরে বিয়ের অনুষ্ঠান শেষ করে বর ও বধূসহ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মাইক্রোবাসে করে মোংলা ফিরছিলেন রাজ্জাক। বিকালে মোংলা-খুলনা মহাসড়কে রামপালের গুনাই ব্রিজ এলাকায় এলে বিপরীত দিক থেকে আসা নৌবাহিনীর একটি বাসের সাথে মাইক্রেবাসটির সংঘর্ষ হয়। এতে বর ও নববধূসহ ১৪ জন নিহত হয়েছে।
নিহত ব্যক্তিরা হলো মোংলা উপজেলার ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক, তাঁর ছেলে (বর) সাব্বির, নববধূ মারজিয়া আক্তার মিতু, মিতুর নানি আনোয়ারা বেগম, রাজ্জাকের মেয়ে লামিয়া, রাজ্জাকের স্ত্রী আন্জুমারা বেগম, রাজ্জাকের আরেক ছেলের স্ত্রী পুতুল, পুতুলের ছেলে আলিফ, রাজ্জাকের আরেক মেয়ে ঐশী, ঐশীর স্বামী সামিউল, ইরান ও মাইক্রোবাসচালক নাঈম। এ ছাড়া আবদুল্লাহ সানি ও অজ্ঞাত একজন রয়েছেন।
মোংলা পৌর যুবদলের আহ্বায়ক ইমান হোসেন বলেন, এত বড় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা মোংলায় আগে কখনো ঘটেনি।
বাগেরহাটের কাটাখালী হাইওয়ে থানার ওসি মো. জাফর আহমেদ বলেন, মাইক্রোবাসটিতে চালকসহ ১৫ জন ছিলেন। এখন পর্যন্ত এই ঘটনায় ১৪ জন মারা গেছেন। আর একজন খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।