১৪ বছরের কম বয়সী শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আনছে অস্ট্রিয়ার রক্ষণশীল তিনদলীয় সরকার। আজ শুক্রবার এ বিষয়ে নীতিগতভাবে একমত হওয়ার কথা জানিয়েছে দেশটির মন্ত্রিসভার সদস্যরা।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শিশুদের ‘আসক্তিকর অ্যালগরিদম’, যৌন নির্যাতনসহ ক্ষতিকর কনটেন্ট থেকে সুরক্ষা দিতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবে এই নিষেধাজ্ঞা কবে থেকে কার্যকর হবে এবং কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
দেশটির ভাইস চ্যান্সেলর আন্দ্রেয়াস বাবলার বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নেতিবাচক প্রভাব থেকে ভবিষ্যতে শিশু ও তরুণদের সুরক্ষায় আমরা দৃঢ় পদক্ষেপ নেব।’
আন্দ্রেয়াস বাবলার আরও বলেন, ‘এই প্ল্যাটফর্মগুলো আমাদের শিশুদের আসক্ত করে তুলছে, অনেক ক্ষেত্রে অসুস্থও করছে। এত দিন এ ঝুঁকিগুলো উপেক্ষা করা হয়েছে, এখন পদক্ষেপ নেওয়ার সময় এসেছে।’
এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে বয়সসীমা নির্ধারণে ইতিমধ্যে পদক্ষেপ নিয়েছে কয়েকটি দেশ। গত ডিসেম্বরে প্রথম ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য এমন নিষেধাজ্ঞা চালু করে অস্ট্রেলিয়া। একই পথে এগোচ্ছে আরও কয়েকটি দেশ। ফ্রান্সের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ চলতি বছরের জানুয়ারিতে ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা অনুমোদন করেছে।
অস্ট্রিয়ার প্রস্তাবিত আইনের খসড়া জুনের শেষ নাগাদ প্রস্তুত করা হবে বলে জানিয়েছেন আন্দ্রেয়াস বাবলার।
তবে কোন কোন প্ল্যাটফর্মে এই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে, তা আলাদাভাবে তালিকাভুক্ত করা হবে না বলে জানিয়েছেন বাবলার। বরং কোনো প্ল্যাটফর্মের অ্যালগরিদম কতটা আসক্তিকর এবং সেখানে ‘যৌন সহিংসতা’ ধরনের কনটেন্ট আছে কি না—এসব বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।