জিনেদিন জিদানের ফ্রান্সের কোচ হওয়া এখন কেবল সময়ের ব্যাপার। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না এলেও ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের পর দিদিয়ের দেশমের চেয়ারে জিদানের বসা এক রকম নিশ্চিত। স্পেনের এক সংবাদমাধ্যমে তেমন কিছুরই ইঙ্গিত মিলেছে।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ডায়রিও এএস গতকাল জিদানের ফ্রান্সের কোচ হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ফ্রান্সের ১৯৯৮ বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তি কোচ হতে এরই মধ্যে ক্ষণগণনার কাজ শুরু করে দিয়েছেন। ডায়রিও এএসের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, কয়েক সপ্তাহ আগে জিদান ইউরোপের বড় এক ক্লাবের কাছ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোচ হওয়ার প্রস্তাব পেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি সরাসরি ‘না’ করে দেন। তাতে করে ক্লাবটি নতুন কোচ খোঁজার কাজ শুরু করে। যদিও সেই ক্লাবের নাম বলা হয়নি স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে।
জিদান এরই মধ্যে ফ্রান্সের কোচ হতে মৌখিক সম্মতি দিয়েছেন। ডায়রিও এএসের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, চার বছরের চুক্তিতে বিশ্বকাপের পর দলটির দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন বিশ্বকাপজয়ী এই কিংবদন্তি। গত কয়েক দিন ধরে ফ্রেঞ্চ ফুটবল ফেডারেশনের (এফএফএফ) সঙ্গে তিনি কথাবার্তা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।
কোচ হিসেবে জিদানের সাফল্যের পাল্লা বেশ ভারী। দুই মেয়াদে রিয়াল মাদ্রিদের ডাগআউটে বসেছিলেন এই কিংবদন্তি ফুটবলার। তাঁর অধীনে তিনবার চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতে মাদ্রিদের ক্লাবটি। ২০১৫-১৬, ২০১৬-১৭, ২০১৭-১৮—ইউরোপ শ্রেষ্ঠত্বের এই শিরোপা তিনবার জেতে রিয়াল। এ ছাড়া লা লিগা, স্প্যানিশ সুপার কাপ, উয়েফা সুপার কাপ এবং ক্লাব বিশ্বকাপের শিরোপা জিতেছে রিয়াল। ২০২১ সালে স্প্যানিশ ক্লাবটির দায়িত্ব ছাড়েন জিদান।
ফ্রান্সের বর্তমান কোচ দিদিয়ের দেশম মাসখানেক আগে ঘোষণা দেন, বিশ্বকাপের পর জাতীয় দলের দায়িত্ব ছাড়তে যাচ্ছেন। ২০১২ সাল থেকে তিনি ফ্রান্স কোচের দায়িত্বে আছেন। ১৪ বছরে তাঁর অধীনে ফ্রান্স ২০১৮ বিশ্বকাপ, ২০২০-২১ মৌসুমের নেশনস লিগের শিরোপা জিতেছে। এর আগে ১৯৯৮ সালে জিদান-দেশম খেলোয়াড় হিসেবে জেতেন বিশ্বকাপ।