ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনির অভিষেক এবং এই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বিজয় নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আজ বুধবার হোয়াইট হাউসের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই বিষয়ে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান।
সাংবাদিকেরা ট্রাম্পের কাছে জানতে চান, যদি আয়াতুল্লাহর ছেলেই সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে বহাল থাকেন, তবে কি তিনি এই যুদ্ধে বিজয় ঘোষণা করতে পারবেন? জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাই না। আমি কোনো মন্তব্য করব না।’
সরাসরি কিছু না বললেও এর আগে এক সাক্ষাৎকারে তিনি সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে মোজতবা খামেনির নির্বাচিত হওয়াকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে অভিহিত করেছিলেন। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে এই ক্ষমতার পরিবর্তন যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত লক্ষ্যের ওপর কী প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে প্রেসিডেন্টের নীরবতা নতুন জল্পনার জন্ম দিয়েছে।
ইরান যুদ্ধ শেষ করতে সামরিকভাবে আর কী করা প্রয়োজন—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘এখন যা চলছে, তার চেয়েও বেশি কিছু হবে।’ তিনি ইরানের নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, বিমান বিধ্বংসী ব্যবস্থা এবং নেতৃত্বের বিশাল ক্ষয়ক্ষতির কথা উল্লেখ করেন।
ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমরা এখনো কিছু জিনিস (অবকাঠামো) বাকি রেখেছি। আমরা যদি সেগুলো ধ্বংস করতে চাই, তবে আজকের বিকেলের মধ্যেই বা মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যেই তা সম্ভব। আর সেটি করা হলে তারা আক্ষরিক অর্থেই ওই দেশটিকে আর কখনোই পুনর্গঠন করতে পারবে না।’
চলমান সামরিক অভিযানের সাফল্য তুলে ধরে ট্রাম্প ভবিষ্যতে আরও বড় হামলার আভাস দেন। তিনি বলেন, ‘ইতিহাসে যেকোনো দেশের তুলনায় আমরা তাদের ওপর বেশি শক্তভাবে আঘাত হেনেছি এবং আমরা এখানেই থেমে নেই। আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি।’
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধে ইরান ইতিমধ্যে তাদের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও প্রশাসনিক অবকাঠামো হারিয়েছে বলে দাবি করছে ওয়াশিংটন।