হোম > বিশ্ব > যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা

‘ইরানের বিনাশ নিশ্চিত’, এরপর দেশের ভেতরেই প্রধান শত্রু খুঁজে পেয়েছেন ট্রাম্প

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের ‘নিশ্চিত বিনাশ’ হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, ইরানের মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ‘সবচেয়ে বড় শত্রু’ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে বিরোধী দল ডেমোক্র্যাট পার্টি। স্থানীয় সময় আজ রোববার ডেমোক্র্যাট পার্টিকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘সবচেয়ে বড় শত্রু’ বলে অভিহিত করেন তিনি।

তুরস্কের রাষ্ট্র পরিচালিত সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির খবরে বলা হয়েছে, নিজ মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘এখন ইরানের নিশ্চিত বিনাশের সঙ্গে সঙ্গে, আমেরিকার সবচেয়ে বড় শত্রু হলো কট্টর বাম, চরম অদক্ষ ডেমোক্র্যাট পার্টি! বিষয়টির প্রতি আপনাদের মনোযোগের জন্য ধন্যবাদ।’

পৃথক আরেক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, স্থানীয় সময় আগামীকাল সোমবার ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) এজেন্টদের বিমানবন্দরে মোতায়েন করা হবে, যাতে তারা ট্রান্সপোর্টেশন সিকিউরিটি অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (টিএসএ) কর্মীদের সহায়তা করতে পারে। ডেমোক্র্যাটদের ‘বাধা’ সত্ত্বেও তাদের আইসিইর কাজের নিষ্ঠার প্রশংসা করেন তিনি।

ট্রাম্প কিছুদিন আগে বলেছিলেন, যদি ডেমোক্র্যাটরা আংশিক সরকারি শাটডাউন শেষ করতে রাজি না হয়, তবে তিনি বিমানবন্দরে আইসিই এজেন্ট মোতায়েন করবেন। তার কয়েক দিন পরই এই ঘোষণা এল। ট্রাম্প লিখেন, ‘সোমবার আইসিই বিমানবন্দরে যাবে আমাদের অসাধারণ টিএসএ এজেন্টদের সহায়তা করতে, যারা এখনো দায়িত্বে আছেন, যদিও কট্টর বাম ডেমোক্র্যাটরা, যারা শুধু আমাদের দেশে অবৈধভাবে প্রবেশ করা কঠোর অপরাধীদের রক্ষা নিয়েই ব্যস্ত, তারা দীর্ঘদিন আগে স্বাক্ষর ও সিলমোহরযুক্ত চুক্তির মাধ্যমে অনুমোদিত অর্থ আটকে রেখে যুক্তরাষ্ট্রকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে।’

গত ফেব্রুয়ারিতে আংশিক সরকারি শাটডাউন শুরু হওয়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিমানবন্দরে টিএসএ কর্মীরা বেতন ছাড়াই কাজ করে যাচ্ছেন। কারণ, রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটরা অর্থায়ন চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছে। বিভিন্ন মার্কিন শহরে আইসিইর বিতর্কিত অভিবাসনবিরোধী অভিযান কয়েক মাস ধরে চলার পর, যেখানে কিছু মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে এবং তীব্র জনবিরোধিতা দেখা দিয়েছে, ডেমোক্র্যাটরা বলেছে গুরুতর সংস্কার ছাড়া তারা আইসিইকে অতিরিক্ত অর্থায়ন দেবে না।

শাটডাউনের সময় টিএসএ কর্মীদের বেতন ছাড়া কাজ চালিয়ে যেতে হয়েছে। কারণ, তাদের চাকরি ‘অপরিহার্য’ হিসেবে শ্রেণিভুক্ত। শাটডাউন অব্যাহত থাকায় সিনেটের ডেমোক্র্যাটরা হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের আইসিই-বহির্ভূত সংস্থাগুলোর জন্য আলাদা ছোট ছোট অর্থায়ন বিল পাস করার চেষ্টা করেছে। এর মধ্যে টিএসএ এবং ফেডারেল ইমার্জেন্সি ম্যানেজমেন্ট এজেন্সি (ফেমা) অন্তর্ভুক্ত। তবে সিনেটের রিপাবলিকানরা এই উদ্যোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।

হেগসেথের সংবাদ সম্মেলনে নিষিদ্ধ হলো পেন্টাগনেরই সংবাদমাধ্যম

মাগা-সমর্থকদের স্বপ্নের নারী হয়ে ওঠা জেসিকা ফস্টারের আড়ালে যে প্রতারণা

যুদ্ধ বন্ধে মরিয়া ট্রাম্প, আলোচনার জন্য উপযুক্ত ইরানি নেতা খুঁজে পাচ্ছেন না

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ভেদ করে আঘাত হানল ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র, বহু হতাহতের শঙ্কা

হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম ট্রাম্পের

এফবিআইয়ের সাবেক পরিচালক রবার্ট মুলার মারা গেছেন

পেন্টাগনের বয়ান বনাম রণক্ষেত্রের বাস্তবতা: প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দাবি নিয়ে সন্দেহ

৩৯ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ঋণ, যুদ্ধ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে

ইরান যুদ্ধ গুটিয়ে আনার সময়সীমা বললেন ট্রাম্প

ইরানে মার্কিন স্থলবাহিনী মোতায়েনের প্রস্তুতি সম্পন্ন পেন্টাগনের